• 'উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা'-মন্তব্যটি যথার্থ।
• বাঙালি জাতির ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস। যুগে যুগে বহু অপশক্তি শাসন ও শোষণে জর্জরিত করেছে এদেশের আপামর জনগোষ্ঠীকে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সংগ্রাম করেই বাঙালিকে টিকে থাকতে হয়েছে।
• উদ্দীপকে দেখা যায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সত্তা উচ্চকণ্ঠে সক্রিয়। যতই অন্যায়ভাবে রুদ্ধ করে রাখা হোক না কেন, প্রতিবাদ থেমে যাবে না। যত চেষ্টাই করা হোক, সূর্যোদয়কে যেমন থামানো অসম্ভব, তেমনই অত্যাচারীর অত্যাচারের অবসানকল্পে প্রতিবাদী সত্তাও চির জাগ্রত ও অপ্রতিরোধ্য। সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর থাকবে উচ্চকণ্ঠ। 'বিদ্রোহী' কবিতায়ও কবি এমনই এক বিদ্রোহী সত্তার আবির্ভাব ঘটিয়েছেন।
• 'বিদ্রোহী' কবিতায় আত্মজাগরণে উন্মুখ কবির সদম্ভ আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। কবির আপন তেজ, বীরত্ব ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অপূর্ব সম্মিলন ঘটেছে এখানে। শোষকের শোষণ-বঞ্চনা, অপশাসনকে রুখে দিতে প্রয়োজনে কবি সব বন্ধন, আইন-কানুন-শৃঙ্খল ভঙ্গ করবেন। উদ্দীপকেও দেখা যায় এক প্রতিবাদী ও বিপ্লবী কণ্ঠস্বর, যার দৃঢ় অবস্থান 'বিদ্রোহী' কবিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।