উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য হলো বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশ ঘটানো এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান।
'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি সব অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। দেশ ও দেশের মানুষকে অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা করে তিনি স্বাধীনতা এনে দিতে শাসক ও শোষকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই বিদ্রোহী চেতনায় জাতির আত্মজাগরণ ঘটেছে।
উদ্দীপকের কবিতায় কবি আত্মজাগরণের আহ্বান জানিয়েছেন। নিজের অধিকার নিজেকে আদায় করে নেওয়ার জন্য তিনি জাগরণ ঘটানোর প্রয়াস পেয়েছেন। বশ্যতাকে স্বীকার না করে নিজের অধিকার নিজেকেই আদায় করে নিতে হবে। তিনি আসলে বিদ্রোহী হওয়ার কথা বলেছেন। অন্যদিকে 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি সব অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা-করেছেন। তিনি নিপীড়িত, নির্যাতিত, শোষিত-বঞ্চিত মানুষের পক্ষে এবং শোষকের বিপক্ষে সংগ্রাম করে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে চান। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার ভাবগত মিল হলো- অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন, শোষণ-নির্যাতন বন্ধ করার জন্য আত্মজাগরণের আহ্বান।