দ্রোহ ও প্রেমের যুগপৎ আনন্দে উদ্বেল কবি নিজের মধ্যে এক অপতিরোধ্য এক পুরুষ আবিষ্কার করতে পেরেছেন, তিনি দেশের নায়ক।
উদ্দীপকে দেখা যায় দেশ চায়, সেই পুরুষ, যার ভালোবাসায় আঘাত আছে, বিদ্রোহ আছে। যে দেশকে ভালোবেসে শুধু চোখের জলই ফেলবে না, সে দরকার হলে আঘাতও
করবে, প্রতিঘাতও বুক পেতে নেবে, বিদ্রোহ করবে। বিদ্রোহ করা আঘাত করার পশুত্ব বা পৈশাচিকতাকে যে অনুভূতি নিষ্ঠুরতা বলে দোষ দেয় বা সহ্য করতে পারে না, সেই অনুভূতিই হচ্ছে নারীর অনুভূতি, মানুষের ঐটুকুই হচ্ছে দেবত্ব। যারা পুরুষ হবে, যারা দেশ-সৈনিক হবে, তাদের বাইরে ঐ পশুত্বের বা অসুরত্বের বদনামটুকু সহ্য করে নিতে হবে। যে-ছেলের মনে সেবা করবার, বুকে জড়িয়ে ধরে ভালোবাসার ইচ্ছাটা জন্মগত প্রবল, তার সৈনিক না হওয়াই উচিত।
উদ্দীপকের উদ্দমী পুরষটাই কবির মনের সৈনিক। তার ধারণা এমন অপ্রতিরোধ্য পুরুষ জন্ম নিলে দেশ অন্যের অধীনে থাকবে না। সেই পুরুষটি সবাইকে ডাক দিয়ে জড়ো করে ফেলবে। ছিনিয়ে আনবে স্বাধীনতা। সুতরাং বলা যায়, কবির মনের অপ্রতিরোধ্য ছেলেটি হচ্ছে বাংলার বীর।