• "উদ্দীপকের শেষ চরগটি 'সোনার তরী' কবিতার মূল সুরের প্রতিধ্বনি।”- মন্তব্যটি যথার্থ।
• জগৎ-সংসারে ব্যক্তির মূল্য নেই, মূল্য রয়েছে তার কর্মের। ব্যক্তি যখন আর কাজ করতে পারে না, নিস্তেজ হয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন তার মূল্য হারায়। কারণ পৃথিবী ও মহাকাল কেবল ব্যক্তির কর্মগুলোকেই ধারণ করে, ওই ব্যক্তিকে নয়।
• 'সোনার তরী' কবিতায় কবির অন্তর্লীন জীবনদর্শন প্রতিফলিত হয়েছে। এ কবিতার মূল বক্তব্য হচ্ছে, মহাকালের চিরন্তন স্রোতে কেবল মানুষের সৃষ্টিই টিকে থাকে, মানুষ বিলীন হয়ে যায়। উদ্দীপকের কবিতাংশের মূলভাবেও এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এখানে শেষ চরণে বলা হয়েছে, জগতে সৎকর্মের জুড়ি নেই। অর্থাৎ জগতে কেবল সৎকর্মই টিকে থাকে। যা 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। উভয় ক্ষেত্রেই জগতে কর্মের স্থান আছে, কর্মীর স্থান নেই- এই সত্যই ফুটে উঠেছে।
• 'সোনার তরী' কবিতায় কৃষক শূন্য নদীর তীরে মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার অপেক্ষায় থাকে। এই দিকটি উদ্দীপকের মূলভাবেও প্রতিফলিত হয়েছে। সেখানে কাজগুলো রেখে ব্যক্তিমানুষকে যে চলে যেতে হয় তা তুলে ধরা হয়েছে। আর এ সবকিছুই উদ্দীপকের শেষ চরণে ধরা পড়েছে। এসব দিক বিচারে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।