শেষাবধি মানুষ খনন চিত্রে শিল্প কর্মের কথায় মনে রাখে কিন্তু শিল্পীকে কেউ মনে রাখে না উক্তিটি যথাযথ।
উদ্দীপক ও সোনার তরী কবিতার আলোকে নিচে মূল্যায়ন করা হলো । শিল্পকর্ম হচ্ছে একটি নিপুণ কাজ । এই কাজকেই মানুষ মূল্যায়ন করে কিন্তু শিল্পীকে মূল্যায়ন করে অনেক পরে গিয়ে। সোনার তরী কবিতা দেখা যায়, তার পাশের প্রবল স্রোতের মধ্যে জেগে থাকা দ্বীপের মত ছোট্ট একটি ধান ক্ষেত। উৎপন্ন সোনার ধানের সম্ভার নিয়ে অপেক্ষারত নিঃসঙ্গ এক কৃষক আকাশের ঘন মেঘ আর ভারী বর্ষণে এক পরিস্থিতিতে ওই খরতা নদীতে একটি ভরা পাল শোনার নৌকা নিয়ে বেরিয়ে আসা এক মাঝিকে দেখা যায় । উৎপাদিত সোনার ধান নিয়ে যাওয়ার জন্য মাঝিকে নৌকায় তুলে নিয়ে মাঝি চলে যায় কিন্তু কৃষকের মিনতি সে রাখেনি। এখানে দেখা যায়, শিল্প-কর্মকে মূল্যায়ন করা হয়েছে কিন্তু শিল্প স্রষ্টা কে মূল্যায়ন করা হয়নি।
কবিতাটিতে নিবিড় ভাবে মিশে আছে কোভিদ জীবন দর্শন মহাকালের স্রোতে। জীবন যৌবনে ভেসে যায় কিন্তু বেঁচে থাকে মানুষেরই সৃষ্ট সোনার ফসল। শুন্য নদীর তীরে আশাহত কৃষকের বেদনা গুমড়ে মরে।