উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিশেষ দিককে ইঙ্গিত করে? বর্ণনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা 'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাওয়ার দিককে ইঙ্গিত করে। 'সোনার তরী' কবিতায় কবি তাঁর জীবনদর্শনকে উপস্থাপন করেছেন। মহাকালের স্রোতে মানুষের জীবন ও যৌবন ভেসে যায়। চিরন্তন সত্য- মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষ এক সময় পৃথিবীর বুক থেকে বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু মহৎকর্মের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিমানুষ যুগান্তরেও মানুষের মনে বেঁচে থাকে। উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী দেহগতভাবে বেঁচে নেই। মহাকালের স্রোতে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের মধ্য থেকে হারিয়ে গেছেন। কিন্তু তিনি যে মহৎ ও জনকল্যাণমূলক কর্ম সম্পাদন করে গেছেন তা এখনো টিকে আছে। তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের মনে বেঁচে আছেন। 'সোনার তরী' কবিতায় এই বিষয়টিকে তুলে ধরা হয়েছে। সময়ের স্রোতে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। কিন্তু বেঁচে থাকে মানুষের সৃষ্ট সোনার ফসল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা 'সোনার তরী' কবিতার মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাওয়ার বিশেষ দিকটিকে ইঙ্গিত করে।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : সোনার তরী CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : সোনার তরী · সৃজনশীল
উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা 'সোন…
উদ্দীপক
Chittagong · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর