• "উদ্দীপকটির কবি এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবির চেতনা একসূত্রে গাঁথা”- মন্তব্যটি যথার্থ।
• বাঙালি জাতির ওপর যখনই কোনো অন্যায়-অত্যাচার-নিপীড়ন নেমে এসেছে, তখনই তারা সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে। ১৯৫২, '৬২, '৬৬, ৬৯ একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রাম বাঙালির দুঃসাহসিক জয়যাত্রাকেই নির্দেশ করে।
• উদ্দীপকে শহিদদের রক্তকে ধারণ করে সাত কোটি বাঙালির প্রাণের আবেগ পুষ্পিত সৌরভে পরিণত হয়েছে। যার ফলে বাংলার নগর, বন্দর, গঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রামের ধ্বংসস্তূপ থেকে মানুষগুলো যেন একেকটি ফুল হয়ে ফোটে। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায়ও সংগ্রামী ইতিহাসকে ধারণ করে শহিদের পুণ্যরক্ত যেন কৃষ্ণচূড়া ফুল হয়ে শহরের পথে পথে থরে থরে ফুটে রয়েছে। শহিদদের রক্তে রঞ্জিত এই ফুল যেন হয়ে উঠেছে প্রতিবাদের প্রতীক। আর সেই ফুল উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে।
• 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি শামসুর রাহমান নানা অনুষঙ্গে সংগ্রামী চেতনা ও স্বদেশপ্রেমের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে যে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল সেই পটভূমি তিনি তুলে ধরেছেন বাংলার সংগ্রামী ইতিহাসের আলোকে। উদ্দীপকটির কবির চেতনায়ও ঠিক একই দিক লক্ষণীয়। এখানেও শহিদদের পুণ্য রক্তকে বুকে ধারণ করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিবাদের একেকটি ফুল হয়ে ফুটে উঠেছে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।