উদ্দীপকের লালসালু উপন্যাসের ধর্মব্যবসা ফুটে উঠেছে। নিচে এর আলোচনা করা হলো।
উদ্দীপকে দেখা যায়, এক সময় পরম অনাদর ও অব্যবস্থা থেকে উঠে আসা আলেয়া গ্রামবাসীর কাছে হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ তিনি এখন এলাকায় পীর সাহেবের দ্বিতীয় স্ত্রী। পীর সাহেবের স্ত্রী মর্যাদার কারনে মানুষ তাকে অন্ধবিশ্বাস করে। সবার ধারণা পীরের বউও পীর। তিনি সবার আশা পূরণ করবে।
অন্যদিকে লালসালু উপন্যাসে মজিদ একজন ধর্ম ব্যবসায়ী। তিনি নাটকীয়ভাবে মহব্বতপুর গ্রামে প্রবেশ করেন। লালসালু আবৃত মাজারটি কেন্দ্র করে তার ধর্ম ব্যবসায়ের সূচনা। তিনি যেহেতু লালসালু মাজারের পরিচালক, এজন্যই মানুষ তাকে অন্ধবিশ্বাস করে তার পানি পড়া নেয়। দূর দূরান্ত থেকে লোকজন প্রতিদিন মানুষ আসে তার কাছে। উদ্দীপকের আলেয়ার কাজ এবং লালসালু উপন্যাসের মজিদের কাজ যেন একই সূত্রে গাথা। সুতরাং বলা যায়, আলেয়া এবং মজিদের মধ্যে ধর্ম ব্যবসের দিকটি ফুটে উঠেছে।