শেয়ারFacebookWhatsApp

"কাপুরুষ, বেইমান। জ্বলন্ত আগুনের মুখে বন্ধুদের ফেলে পালিয়ে যায়।” উক্তিটি কার?

উত্তর: "কাপুরুষ, বেইমান। জ্বলন্ত আগুনের মুখে বন্ধুদের ফেলে পালিয়ে যায়।” -উক্তিটি ক্যাপ্টেন ক্লেটনের।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯ · সৃজনশীল

"কাপুরুষ, বেইমান। জ্বলন্ত আগুনের মুখে বন্ধুদের ফেলে পালিয়ে যায়।” …

উদ্দীপক

রতন ও রমন দুই বন্ধু বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা এই মর্মে প্রতিজ্ঞা করে যে, কোনো বিপদ আসলে কেউ কাউকে ছেড়ে পালাবে না। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর তারা দেখতে পায় একটি ভালুক তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। দু'জনই ভীত হয়। রতন হঠাৎ লাফ দিয়ে গাছের উপরে ওঠে। রমন গাছে চড়তে জানে না। তাই মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ে। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে মাটিতে শুয়ে থাকা রমনের দেহটিকে নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে যায়। রতন গাছ থেকে নেমে রমনের কাছে গিয়ে ভালুক তার কানে কানে কী বলে পেল তা জানতে চায়। রমন গম্ভীর স্বরে উত্তর দিলো। ভালুকটি বলেছে "বিপদের সময় যারা প্রতিমার কথা ভুলে যায়, অসহায় বন্ধুকে ত্যাগ করে, তারা কখনও ভালো মানুষ হয় না।” রতন লজ্জিত হয়। বিনয় স্বরে বলে, “বন্ধু, বন্ধুত্ব নয়, বুদ্ধি দিয়ে তুমি জিতেছ।”

Barisal · 2023

উত্তর

"কাপুরুষ, বেইমান। জ্বলন্ত আগুনের মুখে বন্ধুদের ফেলে পালিয়ে যায়।” -উক্তিটি ক্যাপ্টেন ক্লেটনের।

উত্তর

ফোর্ট উইলিয়াম দুৰ্গ নবাব সিরাজউদ্দৌলার আক্রমণের মুখে ইংরেজরা পালিয়ে যাওয়াই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে। ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ ইংরেজরা নবাবের বিনা অনুমতিতে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে। তাই নবাব ওই দুর্গ আক্রমণ করেন।ইংরেজ সৈন্যরা নবাবের সনদের আক্রমণের মুখে দিশেহারা হয়ে পড়লে ক্যাপ্টেন মিনচিন কাউন্সিলর ফকল্যান্ড নৌকা যোগে দুর্গ থেকে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। শেষ পর্যায়ে ক্যাপ্টেন ক্লেটন ও গর্ভনর ড্রেক এর সাথে পরামর্শের নাম করে আত্মরক্ষার্থে সব প্রতিজ্ঞা ভুলে দুর্গ থেকে পালিয়ে যান। তাই ব্যাঙ্গার্থে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মীরজাফরের বিশ্বাসভঙ্গের দিকটি উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে। বাংলার ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতকতার মূর্ত প্রতীক মিরজাফর। তিনি ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সিপাহসালার, সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। দেশরক্ষার গুরুদায়িত্ব ন্যস্ত ছিল তার ওপর। তিনি সে দায়িত্ব পালন করেন নি। নিজের স্বার্থের জন্য বিদেশি বণিক-চক্রের সাথে ষড়যন্ত্র করে তিনি দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিয়ে বসেছিলেন বাংলার মসনদে। তাই মিরজাফর বাংলার ইতিহাসে সর্বাধিক ঘৃণিত, ধিকৃত আর অভিশপ্ত ব্যক্তি। সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর সিরাজের প্রধান সেনাপতি ছিলেন। ইংরেজদের সীমাহীন প্রলোভনে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় তিনি নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দেন। তাই পলাশির যুদ্ধে সেনাপতি পদে অধিষ্ঠিত হওয়া সত্ত্বেও এবং কোরআন ছুঁয়ে শপথ করার পরেও তিনি যুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। কিন্তু ইংরেজরা, তাকে গদিচ্যুত করে তার জামাতা মির কাসিমকে মসনদে বসান। পরবর্তীতে কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাই বলা যায়, অন্যের অনিষ্ট করতে গিয়ে নিজেই বড় ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার ঘটনায় উদ্দীপকের সার্থপর বন্ধু ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফরের মিল রয়েছে।

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন। তাঁর নানা মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে সিংহাসন দিয়ে যান। এ ঘটনাটি সহ্য হয়নি তাঁর খালা ঘসেটি বেগম এবং প্রাসাদের অমাত্যদের। সেই সাথে ইংরেজরা বাংলাকে দখল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। মিরজাফরসহ নানা অমাত্যরা হাত মেলায় ইংরেজদের সাথে। পলাশির যুদ্ধে নবাব নিজেদের লোকের দ্বারা প্রতারিত হন এবং পরাজিত হন। শেষে তাঁর বাবা-মার পালিত পুত্র মোহাম্মদি বেগের হাতে তাঁর করুণ মৃত্যু ঘটে। বাংলা হারায় তার স্বাধীনতা। কিন্তু উদ্দীপকে আমরা এক অবস্থা দেখতে পাই, যখন দোনো বন্ধু বিপদের সম্মুখীন হয় তখন রতন রমন কে ছেড়ে স্বার্থপরের মত নিজের জীবন বাঁচায়। পরবর্তীতে রমন বুঝতে পারে বিপদের সময় যে বন্ধু এগিয়ে আসে সেই প্রকৃত বন্ধু। প্রকৃত বন্ধু কখনো বিপদ দেখে পালায় না। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরজাফর সিরাজের প্রধান সেনাপতি হওয়া সত্ত্বেও সিংহাসনে আরোহণের স্বপ্নে ইংরেজদের সাথে হাত মেলায়। পলাশির যুদ্ধে নবাবের পক্ষে যুদ্ধ করেননি তিনি। এমনকি তিনি সিরাজের পতনকে ত্বরান্বিত করার জন্য দেশপ্রেমিক সৈনিকদেরও যুদ্ধ করার সুযোগ দেননি। ফলে পলাশির যুদ্ধে পতন হয় সিরাজের। মিরজাফর ১৭৫৭ সালে ২৯ জুন ক্লাইভের হাত ধরে মসনদে আরোহণ করেন। কিন্তু ইংরেজদের স্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় তাকে গদিচ্যুত করে তার জামাতা মিরকাসিমকে বাংলার মসনদে বসানো হয়। পরবর্তীতে তাকে পুনরায় সিংহাসনে বসানো হলেও কুষ্ঠরোগে সে মারা যায়। এদিকে মিরজাফরের ভুলের কারণে বাংলাকে শোষিত হতে হয় ইংরেজদের দ্বারা। মিরজাফর সিরাজের ক্ষতি করতে গিয়ে কেবল নিজের নয়, বরং পুরো বাংলার ধ্বংস ডেকে আনেন।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯Barisal
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?

রাজশাহী বোর্ড

  • জবা
  • গোলাপ
  • কৃষ্ণচূড়া
  • পলাশ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের মুখকে কবি কীসের সাথে তুলনা করেছেন?

  • পতাকার সাথে
  • শ্যামল বাংলার সাথে
  • সুউচ্চ লাঠির সাথে
  • বন্দুকের নলের সাথে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমাদের চেতনার রং-

কুমিল্লা বোর্ড

  • রক্ত
  • কৃষ্ণচূড়া
  • ফুল
  • বুদ্বুদ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.শামসুর রাহমান কত খ্রিষ্টাব্দে প্রবেশিকা পাশ করেন?

  • ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে
  • ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
  • ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে
  • ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কৃষ্ণচূড়ার ফুল হয়ে ফুটেছে-

  • পাক-হানাদারদের রক্ত
  • ভাষা শহিদদের রক্ত
  • মুক্তিযোদ্ধাদের রক্ত
  • আন্দোলনকারীদের রক্ত

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.ছয় দফা দাবির উত্থাপক কে?

  • ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  • তাজউদ্দীন আহমদ
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  • ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে?

সিলেট বোর্ড

  • বন্দি শিবির থেকে
  • নিজ বাসভূমে
  • রৌদ্র করোটিতে
  • বিধ্বস্ত নীলিমা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'এ রঙের বিপরীত আছে অন্য রং'- এখানে যে রঙের কথা বলা হয়েছে তা হলো-

  • বিপ্লবের রং
  • অভিশাপের রং
  • জলপাই রং
  • সন্ত্রাসের রং

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ?

  • রৌদ্র করোটিতে
  • সাতনরীর হার
  • মহা পৃথিবী
  • সর্বহারা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.শামসুর রাহমান কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই আগস্ট
  • ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই আগস্ট
  • ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই আগস্ট
  • ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই আগস্ট

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আসাদ উনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে শহিদ হয়। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় উল্লিখিত ভাষাশহিদ হলেন - i. সালাম ii. রফিক iii. বরকত নিচের কোনটি সঠিক?

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় একুশের কৃষ্ণচূড়াকে আমাদের কীসের রং বলা হয়েছে?

ঢাকা বোর্ড

  • স্মৃতিময়তার
  • অনাবিলতার
  • চেতনার
  • ঘাতকের

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের মুখকে কবি কীসের সাথে তুলনা করেছেন?'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমাদের চেতনার রং-শামসুর রাহমান কত খ্রিষ্টাব্দে প্রবেশিকা পাশ করেন?কৃষ্ণচূড়ার ফুল হয়ে ফুটেছে-ছয় দফা দাবির উত্থাপক কে?'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে'এ রঙের বিপরীত আছে অন্য রং'- এখানে যে রঙের কথা বলা হয়েছে তা হলো-নিচের কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ?শামসুর রাহমান কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?আসাদ উনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে শহিদ হয়। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় উল্লিখিত ভাষাশহি'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় একুশের কৃষ্ণচূড়াকে আমাদের কীসের রং বলা হয়েছে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।