উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার জাতিগত শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ মানুষের সংগ্রামের দিকটি এবং আত্মত্যাগ ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের পংক্তি গুলোতে, দেশের প্রতি শহীদদের ভালবাসা তাদের আত্মত্যাগের কথা ফুটে উঠেছে। সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা এ ভাষা এ সাক্ষী এখনো এই প্রকৃতি।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমরা দেখতে পাই জাতিগত শোষণ নিপীড়নের শিকার বাংলার সাধারণ মানুষ। পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ সকলে। সব যখন সহ্যের বাইরে চলে গেছে তখন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে জনতা। দেশের নানা প্রান্তের মানুষ জড়ো হয় ঢাকার রাজপথে। এতে বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষের সংগ্রামী চেতনা প্রকাশ পায়। অতএব, 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় শোষণের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম শুরু হয়েছিল সে দিকটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।