উদ্দীপকের সোনালি চরিত্রের মধ্যে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার নেতিবাচক দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বলেছেন অনুভূতির তীব্রতা ও সুগভীর সংবেদনশীলতা আঠারো বছর বয়সেই মানুষের জীবনে তীব্র হয়ে দেখা দেয় এবং মনোজগতেও তার গভীর প্রতিক্রিয়া হয়। মানুষ ভালো- মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা তত্ত্ব, মতবাদ ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে এ বয়সে ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, প্রযুক্তির ব্যবহার আর নিছক কৌতূহলের বশে 'ব্লু হোয়েল' নামক অনলাইন গেমের মরণজালে জড়িয়ে সোনালি তার জীবন বিপন্ন করে তোলে । 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যও এ বয়সের নানা ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন । এ বয়সের তরুণদের সঙ্গে ভালো-মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা মতবাদ ও ভাবধারার পরিচয় ঘটে। তাই এ বয়সটিকে কবি ভয়ংকর বলে অভিহিত করেছেন। জীবনের এই সন্ধিক্ষণে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক নানা জটিলতাকে অতিক্রম করতে হয়। অর্থাৎ, এ বয়সের নৈতিবাচক প্রভাবই উদ্দীপকের সোনালির মধ্যে ফুটে উঠেছে।