উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের প্রতিচ্ছবি নয়, বরং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের বিপরীত চিত্র।
আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখে। এ বয়সে মানুষ কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণ করে। নানা দুঃসাহসী সংকল্প ও উদ্যোগ এ বয়সের তরুণদের মনে উকি দেয়। এ বয়সেই মানুষ আত্মপ্রত্যয়ী হয়। এ বয়সেই তরুণেরা সকল প্রকার বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সাহস ও শক্তি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।
উদ্দীপকে পলাশ ও কাজলের শৈশব কৈশোরের দুরন্ত দিনগুলো খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে কেটে যেত, কারণ লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের সুযোগ ছিল। তাই তারা কোন ধরনের অসৎ সঙ্গে পড়ে বিপথে যাননি। একদিন খবরের 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ নগরবাসী।'
শিরোনামে দুজনারই চোখে আটকে যায় এবং তারাও আতঙ্কিত হয়।
আঠারো বছর বয়স উত্তেজনার, প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে ঝুঁকি নেওয়ার · উপযোগী। অনুভূতির তীব্রতা ও সুগভীর সংবেদনশীলতা এ বয়সিদের জীবনে বিশেষ তীব্র হয়ে দেখা দেয়। সচেতন ও সচেষ্ট হয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে জীবন পরিচালনা করতে না পারার অজস্র দীর্ঘশ্বাসে এ বয়স নেতিবাচক কালো অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে। তাই উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের প্রতিচ্ছবি - এটা বলা যথেচ্ছ হবে না।