শেয়ারFacebookWhatsApp

“এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা!”- লাইনটিতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'— চরণটির মাধ্যমে এ বয়সে নতুন নতুন তত্ত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়াকে বুঝিয়েছেন । আঠারো বছর বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো স্বনির্ভর জীবনযাপনের প্রয়াস চালায়। এ জন্য তাকে বাস্তব রুক্ষ মাটির পৃথিবীর ওপর দাঁড়াতে হয়। এ সময় তারা ভালো-মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা তত্ত্ব, মতবাদ ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে ।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : আঠারো বছর বয়স CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : আঠারো বছর বয়স · সৃজনশীল

“এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা!”- লাইনটিতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উদ্দীপক

পাড়ার সকলের প্রিয় পল্টু। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারও গাছের ফল চুরি করে খেল, তো পরক্ষণেই শীতার্তকে নিজের গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিল। কখনো গৃহস্থের গরুর গলার রশি খুলে দিয়ে মজা করছে, কখনও মহিলাদের আড্ডায় রাবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, কখনো পথচারীর গায়ে সাইকেল তুলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। সেই পল্টুই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে একাই রুখে দিতে লড়াই করছে। কারও বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারও অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায় গ্রস্থ পিতার বিয়ের সব ব্যবস্থাপনা করে দিতে হবে, কারও অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে হবে- এ সবে পল্টুর সর্বাগ্রে।

Dinajpur · 2022

উত্তর

সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থটির নাম 'আকাল' ।

উত্তর

'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'— চরণটির মাধ্যমে এ বয়সে নতুন নতুন তত্ত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়াকে বুঝিয়েছেন । আঠারো বছর বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো স্বনির্ভর জীবনযাপনের প্রয়াস চালায়। এ জন্য তাকে বাস্তব রুক্ষ মাটির পৃথিবীর ওপর দাঁড়াতে হয়। এ সময় তারা ভালো-মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা তত্ত্ব, মতবাদ ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে ।

উত্তর

পল্টুর পরোপকারের বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে পরোপকার করার দিকটির ইঙ্গিতবাহী। আঠারো বছর বয়স মানবজীবনের এক উত্তরণকালীন পর্যায়। এই বয়সে মানুষ যৌবনে পদার্পণ করে আত্মপ্রত্যয়ী হয়। তারুণ্য স্বপ্ন দেখে নতুন জীবনের, নব নব অগ্রগতি সাধনের। চারপাশের অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, পীড়ন, সামাজিক বৈষম্য ও ভেদাভেদ ইত্যাদি দেখে প্রাণবন্ত তরুণেরা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। অত্যাচারিত, নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে উপকার করে। উদ্দীপকে পল্টুর পরোপকারের বিষয়টির মধ্যেও আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। পল্টুও নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিবেশীকে ডাকাতদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। কেউ নিখোঁজ হলে পল্টু দিনরাত পরিশ্রম করে খুঁজে আনার চেষ্টা করে। আবার কারো আত্মীয়কে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার জন্য সবার আগে পল্টু দৌড়ে যায়। পল্টুর এই মহানুভবতা তার বয়সের সাথে মিশে আছে। আঠারো বছর বয়সের মানুষই এমন নির্বিঘ্নে মানুষের পাশে আসতে পারে, পাশে দাঁড়াতে পারে, নিঃস্বার্থভাবে মানুষের উপকার করতে পারে। তাই বলা যায়, পল্টুর পরোপকারের বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে পরোপকার করার দিকটির ইঙ্গিতবাহী।

উত্তর

"তবু আঠারোর শুনেছি জয় ধ্বনি" পদ্ধতিটির মাধ্যমে কবি আঠারো বছর বয়সের জয়গান গেয়েছেন । আঠারো বছর বয়স এক উদ্দীপনা ও উৎসাহের নাম। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ বয়সটি উত্তেজনার, প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেবার। এ বয়স অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপত্তিকে পেরিয়ে যাওয়ার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার। এ বয়সের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া, আঘাত-সংঘাতের মধ্যে রক্ত- শপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া। পাশাপাশি সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতে এ বয়স হয়ে উঠতে পারে ভয়ংকর। বিকৃতি ও বিপর্যয়ের অজস্র আঘাতে ক্ষতবিক্ষত ও নিঃশেষিত হতে পারে সহস্র প্রাণ । উদ্দীপকেও আঠারো বছর বয়সের ভালো-মন্দ উভয় দিক তুলে ধরা হয়েছে। জগতে সমস্ত কিছুরই দুটি বিপরীত দিক রয়েছে। ভালো-মন্দ, হাসি-কান্না, জয়-পরাজয়, সুন্দর-কুৎসিত ইত্যাদি। আমরা যখন কোনো কিছু সম্পর্কে ধারণা পোষণ করি তখন তার ভালো-মন্দ দুটো দিক আমাদের বিচার করে দেখতে হয়। তারুণ্যের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যেগুলোকে আমরা মানবজীবনে শুভ ও মঙ্গলজনক বলে মনে করি। এসব দিককে আমরা বলতে পারি ইতিবাচক দিক। আবার তারুণ্যের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা সমাজের জন্য ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। এরপরও সমাজ, জাতি ও দেশের কল্যাণে যা কিছু অর্জিত হয়েছে তার পেছনে আঠারো বছর বয়সের অবদান বিদ্যমান । উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে বলা যায়, আঠারো বছর বয়সের যত মন্দ ও ত্রুটিপূর্ণ দিক থাকুক না কেন, জাতি ও দেশের জন্য এই বয়স তাৎপর্যময়। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে এ বয়সের মানুষই এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত বিপদ মোকাবিলায়। প্রাণ দিয়েছে অজানাকে জানবার জন্য, দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে। এই বয়সই জানে সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য রক্তমূল্য দিতে। তাই বলা যায়, “তবু আঠারোর শুনেছি জয় ধ্বনি” পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি আঠারো বছর বয়সের জয়গান গেয়েছেন ।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : আঠারো বছর বয়সDinajpur
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?

  • ইতিবাচক
  • দুঃসাহস
  • বয়স
  • তারুণ্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি'- কেন?

  • পৃথিবীকে, দেখার জন্য
  • আন্দোলন করার জন্য
  • অধিকার আদায়ের জন্য
  • স্বাধীনভাবে চলার জন্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” পঙ্ক্তিটিতে কবির কোন মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে?

রাজশাহী বোর্ড

  • তারুণ্য শক্তির জাগরণের প্রত্যাশা
  • তারুণ্য শক্তির অপচয়ে হতাশা
  • আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য
  • দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.এ দেশের বুকে কবি কোন বয়স কামনা করেছেন?

  • পনেরো
  • ষোলো
  • সতেরো
  • আঠারো

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে কোন চরণে?

  • আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর
  • পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা
  • এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে
  • এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.চারপাশের অন্যায় ও বৈষম্য দেখে কারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে?

  • প্রাণবন্ত শ্রমিকেরা
  • প্রাণবন্ত তরুণেরা
  • ভীরু-কাপুরুষেরা
  • অহংকারী স্বার্থপরেরা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কবি স্টিমারের সঙ্গে তারুণ্যের তুলনা করেছেন কেন?

  • জীবনের গতিশীলতার জন্য
  • জীবনের বাধাহীনতার জন্য
  • তারুণ্যের অস্থিরচিত্ততার জন্য
  • জীবনের যান্ত্রিকতার জন্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়- নিচের কোন চরণটির সাথে এর ভাব মিলে যায়?

  • এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়
  • এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
  • এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে
  • এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.'আঠারো বছর বয়স' কীসে বাঁচে?

  • শান্তি ও অশান্তিতে
  • দুর্যোগে আর ঝড়ে
  • হাসি আর কান্নায়
  • ভালো ও মন্দে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয় কেন?

  • অদম্য হয়ে উঠে বলে
  • অপ্রতিরোধ্য শক্তির বলে
  • বাধাহীন, গতিময় বলে
  • নতুন ভাবনা প্রেরণা জোগায় বলে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই কেন?

  • এ বয়স সকল বাধা ভাঙতে পারে
  • এ বয়সে কোনো বাধা ভাঙতে হয় না
  • এ বয়সে পরিবারের সকলের সহযোগিতায় চলা যায়
  • এ বয়স ভয় বিশ্বাস করে না

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কবির মতে, আঠারো বছর বয়সে মানুষ কীসের ঝুঁকি নেয়?

  • নিয়ম ভাঙার
  • স্বাধীনভাবে চলার
  • যুদ্ধে অংশগ্রহণের
  • স্বেচ্ছাচারী হওয়ার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছস্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি'- কেন?"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” পঙ্ক্তিটিতে কবির কোন মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে?এ দেশের বুকে কবি কোন বয়স কামনা করেছেন?'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে কোন চরণে?চারপাশের অন্যায় ও বৈষম্য দেখে কারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে?কবি স্টিমারের সঙ্গে তারুণ্যের তুলনা করেছেন কেন?এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়- নিচের কোন চরণটির সাথে এর ভাব মিলে যায়'আঠারো বছর বয়স' কীসে বাঁচে?আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয় কেন?আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই কেন?কবির মতে, আঠারো বছর বয়সে মানুষ কীসের ঝুঁকি নেয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।