শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সঙ্গে "আঠারো বছর বয়স" কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?

উত্তর: উদ্দীপকের সঙ্গে' আঠারো বছর বয়সে' কবিতার তারুণ্যের সাহসিকতা ফুটে উঠেছে। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে আঠারো বছর বয়সটি দুঃসহ সময়। এ সময় বিড়াট সাহস অর্জিত হয়। কেননা এদের শরীরে রক্তদানের সাহস থাকে। মরে যাওয়ার ভয় এদের ভিতর থেকে বিলীন হয়ে যায়। প্রাণ দেওয়া নেওয়ার ঝূলিটা শূন্য থাকে। এ সময় নিজের আত্মাকে শপথের কোলাহলে অর্পণ করে দেয়। অর্থাৎ আঠারো বছর বয়স কবিতাটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কবিতাটি জুড়েই তারুণ্যের সাহসিকতা বর্ণনা করা হয়েছে। অনুরুপভাবে উদ্দীপকেও একই বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তরুণ নামের জয় মুকুট, শুধু তাদেরই আছে যারা শক্তির দিকে অপরিমেয়, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ, আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তন্ড প্রায় অর্থাৎ এ বয়স জানে না কাঁদতে। এ বয়স অবিশ্রান্ত কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাস। এ বয়স বেদনার মুহূর্তে থরোথরো কাঁপতে থাকে বিজয়ের নেশায়। দূর্যোগ আর ঝড়ের কবলে এরা বাঁচতে জানে। সর্বপরি বিপদের সন্ধিক্ষণে এরা অগ্রণী। আঠারো বছর বয়সটি কেমন সেটাই উদ্দীপক এবং কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : আঠারো বছর বয়স CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : আঠারো বছর বয়স · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সঙ্গে "আঠারো বছর বয়স" কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?

উদ্দীপক

তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই, যাহার শক্তি অপরিমান, গতিবেগ ঝঞ্চার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তও প্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।

সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2024

উত্তর

আঠারো বছর বয়স কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

উত্তর

এ বয়স জানে রক্তদানের পূণ্য - কথাটি দ্বারা তারুণ্যের অগ্রগতি, বিপদ মোকাবেলার ঝুঁকি, মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রাম,স্বাধীনভাবে চলার ঝুঁকি বোঝানো হয়েছে। স্বাধীনতার জন্য রক্তদান একটি মহৎ কাজ। আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই। এরা রক্তদানে ভয় পায় না কারণ রক্তদানের সুফল এদের জানা আছে। দেশের জন্য রক্তদানের বিষয়টি অত্যন্ত গৌরবের কাজ। রক্তের বিনিময়ে দেশ যদি স্বাধীনতা ফিরে পায়, তাহলে রক্তদানে ভয় কিসের। দেশের বুকে যদি আঠারো নেমে আসে তাহলে দেশ তার তারুণ্য ফিরে পাবে ।

উত্তর

উদ্দীপকের সঙ্গে' আঠারো বছর বয়সে' কবিতার তারুণ্যের সাহসিকতা ফুটে উঠেছে। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে আঠারো বছর বয়সটি দুঃসহ সময়। এ সময় বিড়াট সাহস অর্জিত হয়। কেননা এদের শরীরে রক্তদানের সাহস থাকে। মরে যাওয়ার ভয় এদের ভিতর থেকে বিলীন হয়ে যায়। প্রাণ দেওয়া নেওয়ার ঝূলিটা শূন্য থাকে। এ সময় নিজের আত্মাকে শপথের কোলাহলে অর্পণ করে দেয়। অর্থাৎ আঠারো বছর বয়স কবিতাটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কবিতাটি জুড়েই তারুণ্যের সাহসিকতা বর্ণনা করা হয়েছে। অনুরুপভাবে উদ্দীপকেও একই বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তরুণ নামের জয় মুকুট, শুধু তাদেরই আছে যারা শক্তির দিকে অপরিমেয়, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ, আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তন্ড প্রায় অর্থাৎ এ বয়স জানে না কাঁদতে। এ বয়স অবিশ্রান্ত কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাস। এ বয়স বেদনার মুহূর্তে থরোথরো কাঁপতে থাকে বিজয়ের নেশায়। দূর্যোগ আর ঝড়ের কবলে এরা বাঁচতে জানে। সর্বপরি বিপদের সন্ধিক্ষণে এরা অগ্রণী। আঠারো বছর বয়সটি কেমন সেটাই উদ্দীপক এবং কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

উত্তর

হ্যা, উদ্দীপকের দিকটিই আঠারো বছর বয়স কবিতার মূলভাব- কেননা উদ্দীপক এবং কবিতা একই বৃন্তের দুটি পুষ্প। আমার স্বপক্ষের মতামত নিচে তুলে ধরা হলো। এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কথাটি যদি পর্যালোচনা করা হয় তাহলে কবিতাটির মুলভাব পরিস্কারভাবে বোঝা যাবে। দেশকে স্বাধীন করার জন্য তীব্র সাহস দরকার। যাদের শক্তি অপরিমান,যাদের গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, যারা ক্লান্তিহীন, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাদের প্রাণ, অটল যাদের সাধনা, মৃত্যু যাদের মুষ্ঠিতলে তারা দেশের জন্য গৌরব। এরা সাহসিকতার সাথে দেশকে অন্যদেশ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে। কেননা এ বয়স জানে রক্তদানের পূণ্য। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় আঠারো বয়সটিকে ভয়ংকর সময় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। পাশাপাশি এই বয়স নিয়ে গর্বিত হয়েছেন। তার মতে, এ বয়স নতুন কিছু করে, এদের মধ্যে ভীরু, কাপুরুষতা খুজে পাওয়া যাবে না, পথ চলতে এরা যায় না থেমে। তাইতো উদ্দীপক এবং কবিতায় আঠারো বছর বয়সের জয়গান গেয়েছেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপক এবং কবিতার মুলভাব একই।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : আঠারো বছর বয়স
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি'- কেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” পঙ্ক্তিটিতে কবির কোন মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে?

রাজশাহী বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.এ দেশের বুকে কবি কোন বয়স কামনা করেছেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে কোন চরণে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.চারপাশের অন্যায় ও বৈষম্য দেখে কারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কবি স্টিমারের সঙ্গে তারুণ্যের তুলনা করেছেন কেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়- নিচের কোন চরণটির সাথে এর ভাব মিলে যায়?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.'আঠারো বছর বয়স' কীসে বাঁচে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয় কেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই কেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কবির মতে, আঠারো বছর বয়সে মানুষ কীসের ঝুঁকি নেয়?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছস্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি'- কেন?"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” পঙ্ক্তিটিতে কবির কোন মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে?এ দেশের বুকে কবি কোন বয়স কামনা করেছেন?'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে কোন চরণে?চারপাশের অন্যায় ও বৈষম্য দেখে কারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে?কবি স্টিমারের সঙ্গে তারুণ্যের তুলনা করেছেন কেন?এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়- নিচের কোন চরণটির সাথে এর ভাব মিলে যায়'আঠারো বছর বয়স' কীসে বাঁচে?আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয় কেন?আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই কেন?কবির মতে, আঠারো বছর বয়সে মানুষ কীসের ঝুঁকি নেয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।