শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য নির্দেশ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত তরুণদের সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। এ বয়সি তরুণেরা অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত। তাই তারা শত আঘাত- সংঘাতের মধ্যেও রক্তশপথ নিয়ে মানুষের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। এরা স্থবিরতা, নিশ্চলতা, জরাজীর্ণতাকে অতিক্রম করে দুর্বার গতিতে। তাই আলোচ্য কবিতায় কবি প্রগতি ও অগ্রগতির পথে এ বয়সি তরুণদের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন । উদ্দীপকে কবি দুরন্ত-দুর্বার তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। যাদের শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ডপ্রায়, যাদের আশা বিপুল, যাদের উৎসাহ ক্লান্তিহীন, যাদের সাধনা অটল, যাদের মুঠিতলে মৃত্যু। তারা আলোর দেবতার মতো রঙের খেলা খেলতে খেলতে উদিত হয়, রঙ ছড়াতে ছড়াতে তারা অস্তমিত হয়। আর তারুণ্যের এসব বৈশিষ্ট্যই 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় সদ্য যৌবনে উত্তীর্ণ তরুণদের মধ্যে কবি প্রত্যক্ষ করেছেন। এভাবেই উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : আঠারো বছর বয়স CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : আঠারো বছর বয়স · সৃজনশীল

উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য নির্দেশ কর।

উদ্দীপক

তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রঙ ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অস্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।

Sylhet · 2023

উত্তর

'আঠারো বছর বয়স' বিপদের মুখে অগ্রণী।

উত্তর

তারুণ্যশক্তি কোনো বাধা মানে না। তরুণরা দেহ ও মনের জরাজীর্ণতা পেছনে ফেলে দুর্বার গতিতে সামনে এগিয়ে যায়। তারা দুর্লঙ্ঘ পর্বত, বিপদসংকুল পথ পার হয়ে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে চায় । 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এদেশের বুকে আঠারো নেমে আসার প্রত্যাশা করেছেন। কবি আশা করেন, এই বয়সের তরুণরা এই দেশটাকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তুলবে। অত্যাচার, উৎপীড়ন প্রতিহত করবে। তরুণরা মহৎ সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হবে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত তরুণদের সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। এ বয়সি তরুণেরা অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত। তাই তারা শত আঘাত- সংঘাতের মধ্যেও রক্তশপথ নিয়ে মানুষের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। এরা স্থবিরতা, নিশ্চলতা, জরাজীর্ণতাকে অতিক্রম করে দুর্বার গতিতে। তাই আলোচ্য কবিতায় কবি প্রগতি ও অগ্রগতির পথে এ বয়সি তরুণদের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন । উদ্দীপকে কবি দুরন্ত-দুর্বার তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। যাদের শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ডপ্রায়, যাদের আশা বিপুল, যাদের উৎসাহ ক্লান্তিহীন, যাদের সাধনা অটল, যাদের মুঠিতলে মৃত্যু। তারা আলোর দেবতার মতো রঙের খেলা খেলতে খেলতে উদিত হয়, রঙ ছড়াতে ছড়াতে তারা অস্তমিত হয়। আর তারুণ্যের এসব বৈশিষ্ট্যই 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় সদ্য যৌবনে উত্তীর্ণ তরুণদের মধ্যে কবি প্রত্যক্ষ করেছেন। এভাবেই উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে ফুটে উঠেছে। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সকে দুর্বার ও নির্ভীক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এ বয়সের তরুণেরা সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতকে রুখে দিতে পারে। তাই আলোচ্য কবিতায় কবি জাতীয় জীবনে এ বয়সি তরুণদের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন । উদ্দীপকে কবি তরুণদের বৈশিষ্ট্যের কথা তুলে ধরেছেন যাদের শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ডপ্রায়, যাদের আশা বিপুল, যাদের উৎসাহ ক্লান্তিহীন, যাদের সাধনা অটল, যাদের মুঠিতলে মৃত্যু। তারা আলোর দেবতার মতো রঙের খেলা খেলতে খেলতে উদিত হয়, রঙ ছড়াতে ছড়াতে তারা অস্তমিত হয়। তরুণরা অরুণের মতোই তিমির-বিদারী, তারা আলোর দেবতা। যৌবন-সূর্য যেখানে অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেটাই লীলাভূমি বলে কবি বলেছেন। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় ঠিক একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ করা যায়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বলা হয়েছে, এ বয়সের আছে সমস্ত দুর্যোগ আর দুর্বিপাক মোকাবিলা করার অদম্য শক্তি। কবি তাই সমস্যাপীড়িত এ দেশে আঠারোর তারুণ্যকে প্রত্যাশা করেছেন। অর্থাৎ, আলোচ্য কবিতা ও উদ্দীপকের কবিতাংশ উভয় ক্ষেত্রেই সমাজজীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। পাঠ্য কবিতার কবি প্রত্যাশা করেছেন আঠারো বছর বয়সি তরুণেরা যেন দেশের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। আর উদ্দীপকের কবিতাংশের তরুণেরা সত্যের পথে এগিয়ে যেতে নিজেদের জড়তা, ভীরুতা ও দ্বিধাকে ধ্বংস করেছে। সুতরাং, উভয় কবিতায় যে তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে, তা স্পষ্ট।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : আঠারো বছর বয়স
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?

  • ইতিবাচক
  • দুঃসাহস
  • বয়স
  • তারুণ্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি'- কেন?

  • পৃথিবীকে, দেখার জন্য
  • আন্দোলন করার জন্য
  • অধিকার আদায়ের জন্য
  • স্বাধীনভাবে চলার জন্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” পঙ্ক্তিটিতে কবির কোন মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে?

রাজশাহী বোর্ড

  • তারুণ্য শক্তির জাগরণের প্রত্যাশা
  • তারুণ্য শক্তির অপচয়ে হতাশা
  • আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য
  • দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.এ দেশের বুকে কবি কোন বয়স কামনা করেছেন?

  • পনেরো
  • ষোলো
  • সতেরো
  • আঠারো

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে কোন চরণে?

  • আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর
  • পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা
  • এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে
  • এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.চারপাশের অন্যায় ও বৈষম্য দেখে কারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে?

  • প্রাণবন্ত শ্রমিকেরা
  • প্রাণবন্ত তরুণেরা
  • ভীরু-কাপুরুষেরা
  • অহংকারী স্বার্থপরেরা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কবি স্টিমারের সঙ্গে তারুণ্যের তুলনা করেছেন কেন?

  • জীবনের গতিশীলতার জন্য
  • জীবনের বাধাহীনতার জন্য
  • তারুণ্যের অস্থিরচিত্ততার জন্য
  • জীবনের যান্ত্রিকতার জন্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়- নিচের কোন চরণটির সাথে এর ভাব মিলে যায়?

  • এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়
  • এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
  • এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে
  • এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.'আঠারো বছর বয়স' কীসে বাঁচে?

  • শান্তি ও অশান্তিতে
  • দুর্যোগে আর ঝড়ে
  • হাসি আর কান্নায়
  • ভালো ও মন্দে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয় কেন?

  • অদম্য হয়ে উঠে বলে
  • অপ্রতিরোধ্য শক্তির বলে
  • বাধাহীন, গতিময় বলে
  • নতুন ভাবনা প্রেরণা জোগায় বলে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই কেন?

  • এ বয়স সকল বাধা ভাঙতে পারে
  • এ বয়সে কোনো বাধা ভাঙতে হয় না
  • এ বয়সে পরিবারের সকলের সহযোগিতায় চলা যায়
  • এ বয়স ভয় বিশ্বাস করে না

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কবির মতে, আঠারো বছর বয়সে মানুষ কীসের ঝুঁকি নেয়?

  • নিয়ম ভাঙার
  • স্বাধীনভাবে চলার
  • যুদ্ধে অংশগ্রহণের
  • স্বেচ্ছাচারী হওয়ার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছস্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি'- কেন?"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” পঙ্ক্তিটিতে কবির কোন মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে?এ দেশের বুকে কবি কোন বয়স কামনা করেছেন?'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে কোন চরণে?চারপাশের অন্যায় ও বৈষম্য দেখে কারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে?কবি স্টিমারের সঙ্গে তারুণ্যের তুলনা করেছেন কেন?এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়- নিচের কোন চরণটির সাথে এর ভাব মিলে যায়'আঠারো বছর বয়স' কীসে বাঁচে?আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয় কেন?আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই কেন?কবির মতে, আঠারো বছর বয়সে মানুষ কীসের ঝুঁকি নেয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।