• ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশের যে ইতিহাস সেই ইতিহাসের প্রখরতাকে তুলে ধরা হয়েছে উদ্দীপকের কবিতা অংশে।
• অন্যায়ের কাছে বাঙালি কখনো মাথা নত করেনি। যুগে যুগে তারা সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এসেছে। যেকোনো সংকটে বাঙালি জাতি একতাবদ্ধ হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে শত্রুর ওপর। তাই বাঙালির রয়েছে একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস।
• উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়ে বাংলার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর যে প্রক্রিয়ায় বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করেছে তার একটি সমৃদ্ধ ইতিহাসে রয়েছে। স্বাধীনতার পূর্বে ২৪ বছর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে শাসন করে। তাদের শোষণের কাছে মাথা নত না করে বাঙালি জাতি সর্বদাই সংগ্রাম করে গেছে। তাদের ২৪ বছরের শাসনামলে তাদের বিরুদ্ধে প্রথম সংগ্রাম ভাষা আন্দোলন। শুরু থেকেই তারা বাংলা ভাষার পরিবর্তে জোর করে উর্দু ভাষা চাপিয়ে দিতে চাইলে গড়ে ওঠে দুর্বার আন্দোলন। ১৯৫২ সালে অর্জিত হয় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। তারপরে যখনই দরকার হয়েছে নিজেদের অধিকারে বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছে শত্রুর ওপর। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জিত হয়। সেই গর্বের ইতিহাসের কথা তুলে ধরা হয়েছে উদ্দীপকের কবিতাংশে।