'আঠারো বছর বয়স' কবিতা এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।
উত্তর: পরিসরে ভিন্নতা থাকলেও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতা ও উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে। পাঠ্য কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সের নানা ইতিবাচক দিক চিহ্নিত করেছেন। সতর্ক করেছেন নেতিবাচক দিক সম্পর্কেও। এ বয়সের বৈশিষ্ট্য অঙ্কন করতে গিয়ে কবি মূলত তরুণদের জয়গানই করেছেন। তিনি মনে করেন, এদেশের তরুণেরাই জাতীয় জীবনের মূল চালিকাশক্তি হয়ে এগিয়ে আসবে। উদ্দীপকের কবিতাংশে স্থবিরতা ও নিশ্চলতায় জর্জরিত মানুষের মাঝে প্রাণের সঞ্চার করতে নবীনদের আহ্বান করা হয়েছে। একইসঙ্গে সকল বাধাকে তুচ্ছ করে নিজ নিজ ব্যক্তিত্বের স্ফূরণ ঘটানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে এখানে। কবি সমস্যাপীড়িত জাতিকে উদ্ধার করতে তারুণ্যের শক্তির ওপর তাঁর নির্ভরতার কথা ব্যক্ত করেছেন। একইভাবে, 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি আঠারো বছর বয়সের নানা ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের জাগরণ কামনা করেছেন। পাঠ্য কবিতায় কবি মনে করেন, আঠারো বছর বয়সটি প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য উপযোগী। এ বয়সের তরুণদের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া- আঘাত-সংঘাতের মধ্যে রক্তশপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া। এখানে নির্দিষ্টভাবে আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য বলা হলেও তা আসলে তারুণ্যেরই সাধারণ বৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকের কবিতার ক্ষুদ্র পরিসরেও মূলত তারুণ্যের জয়গান গাওয়া হয়েছে। তাই বলা যায়, আলোচ্য কবিতা ও উদ্দীপকের কবিতাংশ, উভয়ক্ষেত্রেই মুখ্য হয়ে উঠেছে তারুণ্যের জয়গানের দিকটি।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : আঠারো বছর বয়স CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : আঠারো বছর বয়স · সৃজনশীল
'আঠারো বছর বয়স' কবিতা এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছ…
উদ্দীপক
Comilla · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর