শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যৌবনের অদম্য প্রাণশক্তির ইতিবাচক দিকটি ফুটে উঠেছে । তরুণরা অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার । আর এই জাতির বিপদে কান্ডারি হিসেবে তারাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা যেকোনো বিপদ ও দুর্যোগে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিবেদিত। আর তাই তরুণরা যদি ঝিমিয়ে পড়ে তাহলে জাতির ভাগ্যে দুর্ভোগ নেমে আসে। সংঘত কারণেই জাতীয় জীবনের প্রয়োজনে তারুণ্য বা যৌবনশক্তির আহ্বান করেছেন কবি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়। উদ্দীপকটি তারুণ্যের সম্ভাবনা ও সাফল্য উপজীব্য করে রচিত হয়েছে। মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ গ্রামের সার্বিক উন্নতির জন্য নানা জনহিতকর কাজ করে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা-মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গ্রামের মানুষদের জীবন মান যেমন উন্নত হচ্ছে, তেমনি বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে যাচ্ছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে আলোচ্য কবিতার মেধাবী, সৃষ্টিশীল ও কল্যাণকামী তরুণদের জয়গানের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : আঠারো বছর বয়স CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : আঠারো বছর বয়স · সৃজনশীল

উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি…

উদ্দীপক

মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাÐ পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনামূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছে না চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পাল্টে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

Chittagong · 2022

উত্তর

'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া ।

উত্তর

কবি উক্ত পক্তিটির মাধ্যমে প্রত্যাশা করেছেন, আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে । আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের তরুণরা জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে সবসময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি— এসবই আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়েই যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায় ।

উত্তর

উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যৌবনের অদম্য প্রাণশক্তির ইতিবাচক দিকটি ফুটে উঠেছে । তরুণরা অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার । আর এই জাতির বিপদে কান্ডারি হিসেবে তারাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা যেকোনো বিপদ ও দুর্যোগে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিবেদিত। আর তাই তরুণরা যদি ঝিমিয়ে পড়ে তাহলে জাতির ভাগ্যে দুর্ভোগ নেমে আসে। সংঘত কারণেই জাতীয় জীবনের প্রয়োজনে তারুণ্য বা যৌবনশক্তির আহ্বান করেছেন কবি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়। উদ্দীপকটি তারুণ্যের সম্ভাবনা ও সাফল্য উপজীব্য করে রচিত হয়েছে। মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ গ্রামের সার্বিক উন্নতির জন্য নানা জনহিতকর কাজ করে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা-মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গ্রামের মানুষদের জীবন মান যেমন উন্নত হচ্ছে, তেমনি বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে যাচ্ছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে আলোচ্য কবিতার মেধাবী, সৃষ্টিশীল ও কল্যাণকামী তরুণদের জয়গানের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

বিষয়বস্তুর সীমাবদ্ধতার কারণে উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আংশিকভাবে ধারণ করেছে। আলোচ্য কবিতায় আঠারো বছর বয়সি তরুণদের অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়ার দিকটি এসেছে। তাই তারা শত আঘাত সংঘাতের মধ্যেও রক্তশপথ নিয়ে মানুষের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। এই বয়সি তরুণদের রয়েছে অফুরন্ত উদ্দীপনা, অসীম সাহসিকতা ও দুর্বার গতি। ফলে এই বয়সি তরুণরা স্থবিরতা, নিশ্চলতা, জরাজীর্ণতাকে অতিক্রম করতে পারে খুব সহজেই। তবে সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতে এরা হয়ে উঠতে পারে ভয়ংকর। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, তরুণরা দুর্বার উদ্দীপনায় সকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই পেরিয়ে যেতে পারে। কোনো অশুভশক্তিই তাদের চলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। অর্থাৎ, তরুণদের আছে বাধা পেরিয়ে উ নি যাওয়ার মতো প্রবল প্রাণশক্তি। সেই শক্তি ও সাহসের বলেই তারা সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম যা মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজের মধ্যেও লক্ষণীয়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বলা হয়েছে, এ বয়সের আছে সমস্ত দুর্যোগ আর দুর্বিপাক মোকাবিলা করার অদম্য শক্তি । কবি তাই সমস্যাপীড়িত এ দেশে আঠারোর তারুণ্যকে প্রত্যাশা করেছেন । উদ্দীপকেও সমাজ জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য তারুণ্যের অবদানকে তুলে ধরা হয়েছে। বিপদের মুখে নতুন কিছু করার দিক থেকে উদ্দীপকের সাথে কবিতার ভাবের মিল রয়েছে। কিন্তু কবিতায় আঠারো বছর বয়সে তরুণ প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা থাকার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে, লক্ষ দীর্ঘশ্বাসের অ বেদনায় আঠারো বছর বয়সের তরুণদের যে আঘাত সহ্য করতে হয় তা উদ্দীপকে ওঠে আসেনি। তাই বলা যায়, “উদ্দীপকটি আঠারো বছর বয়স মা কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে” – উক্তিটি যথার্থ ।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : আঠারো বছর বয়স
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?

  • ইতিবাচক
  • দুঃসাহস
  • বয়স
  • তারুণ্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি'- কেন?

  • পৃথিবীকে, দেখার জন্য
  • আন্দোলন করার জন্য
  • অধিকার আদায়ের জন্য
  • স্বাধীনভাবে চলার জন্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” পঙ্ক্তিটিতে কবির কোন মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে?

রাজশাহী বোর্ড

  • তারুণ্য শক্তির জাগরণের প্রত্যাশা
  • তারুণ্য শক্তির অপচয়ে হতাশা
  • আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য
  • দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.এ দেশের বুকে কবি কোন বয়স কামনা করেছেন?

  • পনেরো
  • ষোলো
  • সতেরো
  • আঠারো

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে কোন চরণে?

  • আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর
  • পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা
  • এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে
  • এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.চারপাশের অন্যায় ও বৈষম্য দেখে কারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে?

  • প্রাণবন্ত শ্রমিকেরা
  • প্রাণবন্ত তরুণেরা
  • ভীরু-কাপুরুষেরা
  • অহংকারী স্বার্থপরেরা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কবি স্টিমারের সঙ্গে তারুণ্যের তুলনা করেছেন কেন?

  • জীবনের গতিশীলতার জন্য
  • জীবনের বাধাহীনতার জন্য
  • তারুণ্যের অস্থিরচিত্ততার জন্য
  • জীবনের যান্ত্রিকতার জন্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়- নিচের কোন চরণটির সাথে এর ভাব মিলে যায়?

  • এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়
  • এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
  • এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে
  • এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.'আঠারো বছর বয়স' কীসে বাঁচে?

  • শান্তি ও অশান্তিতে
  • দুর্যোগে আর ঝড়ে
  • হাসি আর কান্নায়
  • ভালো ও মন্দে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয় কেন?

  • অদম্য হয়ে উঠে বলে
  • অপ্রতিরোধ্য শক্তির বলে
  • বাধাহীন, গতিময় বলে
  • নতুন ভাবনা প্রেরণা জোগায় বলে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই কেন?

  • এ বয়স সকল বাধা ভাঙতে পারে
  • এ বয়সে কোনো বাধা ভাঙতে হয় না
  • এ বয়সে পরিবারের সকলের সহযোগিতায় চলা যায়
  • এ বয়স ভয় বিশ্বাস করে না

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কবির মতে, আঠারো বছর বয়সে মানুষ কীসের ঝুঁকি নেয়?

  • নিয়ম ভাঙার
  • স্বাধীনভাবে চলার
  • যুদ্ধে অংশগ্রহণের
  • স্বেচ্ছাচারী হওয়ার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছস্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি'- কেন?"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” পঙ্ক্তিটিতে কবির কোন মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে?এ দেশের বুকে কবি কোন বয়স কামনা করেছেন?'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে কোন চরণে?চারপাশের অন্যায় ও বৈষম্য দেখে কারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে?কবি স্টিমারের সঙ্গে তারুণ্যের তুলনা করেছেন কেন?এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়- নিচের কোন চরণটির সাথে এর ভাব মিলে যায়'আঠারো বছর বয়স' কীসে বাঁচে?আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয় কেন?আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই কেন?কবির মতে, আঠারো বছর বয়সে মানুষ কীসের ঝুঁকি নেয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।