শেয়ারFacebookWhatsApp

“উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তু ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে ।”— বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর: প্রিয়জন হারানোর বিরহ বেদনাকে উপজীব্য করার দিক থেকে উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তুর প্রতিফলন ঘটেছে। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় স্মৃতিকাতর ব্যক্তিমনের বেদনার আবেগঘন প্রকাশ ঘটেছে । কবিতাটিতে বসন্ত-প্রকৃতির অনুষঙ্গে ভর করে ব্যক্তিহৃদয়ের বেদনাবোধের অসাধারণ অভিব্যক্তি ঘটিয়েছেন কবি। এছাড়াও এ কবিতায় কবি সুফিয়া কামাল বসন্ত ও শীত ঋতুর প্রতীকে জীবনের কোমল ও রুদ্ররূপকে উন্মোচন করেছেন। উদ্দীপকের রতন হঠাৎ করেই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। তার মৃত্যু স্ত্রী রত্নার জীবনে ছন্দপতন ঘটায়। পরবর্তী সময়ে আরেকজনের সঙ্গে রত্নার বিয়ে হলেও রতনের কথা সে কোনোভাবেই ভুলতে পারেনি। সকল কাজের প্রেরণাদাতা রতনের স্মৃতি সর্বদাই তার মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। একইভাবে, আলোচ্য কবিতার কবির স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনেরও আকস্মিক মৃত্যু হয়। ফলে কবির জীবনে নেমে আসে শূন্যতা। সাহিত্য সাধনার প্রধান সহায়ক ও উৎসাহদাতা স্বামীর মৃত্যু কবির জীবনে বয়ে আনে দুঃসহ বিষণ্ণতা। এক্ষেত্রে যদিও উদ্দীপকের রত্না দ্বিতীয় বিয়ে করে সুখী হওয়ার চেষ্টা করেছে, তবুও প্রথম স্বামীকে হারানোর শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি সে। এ বিবেচনায়, কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে হলেও উদ্দীপকটিতে আলোচ্য কবিতার বিষয়বস্তুর ছায়াপাত ঘটেছে।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : তাহারেই পড়ে মনে CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : তাহারেই পড়ে মনে · সৃজনশীল

“উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তু ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থা…

উদ্দীপক

রত্না ও রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর স্মৃতি এক মুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা । প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলগ্নেই, তাকে ছেড়ে চিরবিদায় নিয়েছে।

Dhaka · 2019

উত্তর

কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি'— চরণটির মাধ্যমে বিরহকাতর কবির কথা বলা হয়েছে।

উত্তর

'পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে' বলতে কবি বিবর্ণ ও নিষ্প্রাণ প্রান্তরকে বুঝিয়েছেন। আলোচ্য কবিতাটিতে নিঃসঙ্গ ও নিষ্প্রাণ প্রকৃতি এবং কবির চেতনা যেন একাত্ম হয়ে উঠেছে। এ ক্ষেত্রে শীতকালীন প্রকৃতি যেমন তার সজীবতা হারিয়ে রুক্ষমূর্তি ধারণ করেছে, তেমনি শোকে মুহ্যমান কবির চেতনাও যেন প্রিয়জনের চলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিষণ্নতার রূপ পরিগ্রহ করেছে। আর তাই অকালে অপ্রাপ্তি নিয়ে স্বজনের চলে যাওয়ার এ বিষয়টিকে তিনি 'পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে' বলে অভিহিত করেছেন।

উত্তর

প্রিয়জন হারানোর বিরহ বেদনাকে উপজীব্য করার দিক থেকে উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তুর প্রতিফলন ঘটেছে। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় স্মৃতিকাতর ব্যক্তিমনের বেদনার আবেগঘন প্রকাশ ঘটেছে । কবিতাটিতে বসন্ত-প্রকৃতির অনুষঙ্গে ভর করে ব্যক্তিহৃদয়ের বেদনাবোধের অসাধারণ অভিব্যক্তি ঘটিয়েছেন কবি। এছাড়াও এ কবিতায় কবি সুফিয়া কামাল বসন্ত ও শীত ঋতুর প্রতীকে জীবনের কোমল ও রুদ্ররূপকে উন্মোচন করেছেন। উদ্দীপকের রতন হঠাৎ করেই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। তার মৃত্যু স্ত্রী রত্নার জীবনে ছন্দপতন ঘটায়। পরবর্তী সময়ে আরেকজনের সঙ্গে রত্নার বিয়ে হলেও রতনের কথা সে কোনোভাবেই ভুলতে পারেনি। সকল কাজের প্রেরণাদাতা রতনের স্মৃতি সর্বদাই তার মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। একইভাবে, আলোচ্য কবিতার কবির স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনেরও আকস্মিক মৃত্যু হয়। ফলে কবির জীবনে নেমে আসে শূন্যতা। সাহিত্য সাধনার প্রধান সহায়ক ও উৎসাহদাতা স্বামীর মৃত্যু কবির জীবনে বয়ে আনে দুঃসহ বিষণ্ণতা। এক্ষেত্রে যদিও উদ্দীপকের রত্না দ্বিতীয় বিয়ে করে সুখী হওয়ার চেষ্টা করেছে, তবুও প্রথম স্বামীকে হারানোর শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি সে। এ বিবেচনায়, কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে হলেও উদ্দীপকটিতে আলোচ্য কবিতার বিষয়বস্তুর ছায়াপাত ঘটেছে।

উত্তর

শোকানুভূতির প্রগাঢ়তার দিক থেকে উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পাড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা ! 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবিহৃদয়ের শোকানুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। তাই সময়ের আবর্তনে প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও বিরহকাতর কবির কাছে আজ তা প্রকৃত অর্থেই মূল্যহীন। একদা পুষ্প, বৃক্ষ, পাখি তথা প্রকৃতির মহাসমারোহে কবির জীবন পূর্ণতা লাভ করলেও এখন তাঁর মনে কেবলই শূন্যতাবোধের হাহাকার। উদ্দীপকের রত্নার স্বামী দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। পরে আবার বিয়ে করলেও রতনের স্মৃতি তাকে সর্বদাই তাড়িয়ে বেড়ায়। একইভাবে, আলোচ্য কবিতার কবির স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের মৃত্যুতে কবির জীবনও বিষাদময় রিক্ততায় ভরে ওঠে। হাহাকার নেমে আসে জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে। অর্থাৎ প্রিয়জন হারানোর বিরহ-বেদনা উভয়কেই ভারাক্রান্ত করে তোলে। প্রিয়জনের মৃত্যু স্বভাবতই মানুষের হৃদয়কে শোকে কাতর করে তোলে । আর তা যদি হয় জীবনসঙ্গীর মৃত্যু তবে তা আরও বেশি বেদনাদায়ক হয়ে ওঠে । আলোচ্য কবিতার কবির স্বামী ছিলেন তাঁর সকল কাজের উৎসাহদাতা। এমন একজন জীবনসঙ্গী হারিয়ে কবি নিমজ্জিত হন সীমাহীন কষ্টের সাগরে। ফলে বসন্ত এলেও কবিমনে শিহরণ জাগে না বরং তাঁর হৃদয় জুড়ে শীতের রিক্ততা, অর্থাৎ স্বামী বিরহের বেদনাবিধুর অনুভূতিই সদা জাগরূক থাকে। এরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে উদ্দীপকের রত্নার ক্ষেত্রেও। তাই প্রাণপ্রিয় স্বামীর মৃত্যুতে তার সুখময় জীবনের ছন্দপতন ঘটেছে। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : তাহারেই পড়ে মনে
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.পহেলা বৈশাখে গোটা জাতি উৎসবে মেতে উঠলেও ড. রুবিনা ব্যক্তিগত বিষাদময়তায় আচ্ছন্ন হয়ে আছেন। পহেলা বৈশাখের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কীসের মিল রয়েছে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি'- চরণটিতে 'স্নিগ্ধ আঁখি' বলতে বোঝায়-

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কবির জীবনে শূন্যতা নেমে আসে কেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার প্রধান গুণ কী?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কবির ঋতুরাজকে উপেক্ষা করার কারণ কী?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'- কবি কেন নীরব?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা গ্রহণ না করলেও আরজ আলী মাতুব্বরের 'পান্ডিত্য ও জ্ঞান অভাবনীয়। উদ্দীপকের আরজ আলী মাতুব্বরের সঙ্গে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন লেখকের সাদৃশ্য রয়েছে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে কবিকে বসন্তের বন্দনাগীত রচনা করতে বলেছেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোনটি সুফিয়া কামাল রচিত গ্রন্থ?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে, কাকে প্রশ্ন করেছে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিরচন' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'পুষ্পারতি' বলতে বোঝানো হয়েছে- i. ফুলের বন্দনা ii. ফুলের নিবেদন iii. ফুলের সৌরভ নিচের কোনটি সঠিক?

বরিশাল বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

পহেলা বৈশাখে গোটা জাতি উৎসবে মেতে উঠলেও ড. রুবিনা ব্যক্তিগত বিষাদময়তায় আচ্ছন্ন হ'কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি'- চরণটিতে 'স্নিগ্ধ আঁখি' বলতে বোঝায়-কবির জীবনে শূন্যতা নেমে আসে কেন?'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার প্রধান গুণ কী?কবির ঋতুরাজকে উপেক্ষা করার কারণ কী?'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'- কবি কেন নীরব?প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা গ্রহণ না করলেও আরজ আলী মাতুব্বরের 'পান্ডিত্য ও জ্ঞান অ'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে কবিকে বসন্তের বন্দনাগীত রচনা করতে বলেছেন?কোনটি সুফিয়া কামাল রচিত গ্রন্থ?'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে, কাকে প্রশ্ন করেছে?'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিরচন' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'পুষ্পারতি' বলতে বোঝানো হয়েছে- i. ফুলের বন্দনা ii. ফুলের

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।