আত্মত্যাগ ও মানবতা তারুণ্যের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।' উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ ।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বলেছেন তারুণ্যের শক্তি দমিয়ে রাখা যায় না, তারা তাদের ইচ্ছা পূরণে সর্বোচ্চ বিসর্জন দিতে জানে। এ বয়স পাথরের মতো কঠিন বাধাও পদাঘাতে ভেঙে ফেলতে পারে। আবেগ তাড়িত হয়ে অপরের কল্যাণে নিজের জীবন বাজি রাখতে পারে। তাই এরা যেকোনো ভয়কে জয় করতে পারে। এ বয়স অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে কল্যাণের শপথ নিয়ে অপরের বিপদে এগিয়ে আসতে জানে । উদ্দীপকে বর্ণিত বহুতল ভবনে আগুন লাগায় চারদিকে উৎসুক মানুষের ভিড়ে ফায়ার সার্ভিস এবং অ্যাম্বুলেন্স ঠিকমতো যেতে পারছিল না । তখন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে যান চলাচল করতে এগিয়ে আসে এবং তারা অসহায় মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় । আলোচ্য 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত তারুণ্য শক্তির একটি দিক হলো তারা যেকোনো বিপদে মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসে। আত্মত্যাগ ও মানবতা তারুণ্যের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যা এ কবিতায় তরুণদের মাঝে রয়েছে বলে কবি উল্লেখ করেছেন । উদ্দীপকেও আমরা দেখি, আগুন নিভানোর কাজে এবং অসহায়দের রক্ষার জন্য তরুণরা একত্র হয়ে এগিয়ে এসেছেন যা মানবতা ও আত্মত্যাগে বলীয়ান হওয়ার অন্যতম দৃষ্টান্ত । তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ ।