উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবকে পুরোপুরি ধারণ করতে পেরেছে।
'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি আত্মজাগরণের প্রচার করেছেন, অন্যায়ের অবসানে জনসচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। অন্যায়ের অবসানে মহা-প্রলয়ের নটরাজ, সাইক্লোন হয়ে সব অনিয়ম, উচ্ছৃঙ্খলতা ভেঙে চুরমার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। কবি এখানে একসাথে প্রেম ও দ্রোহের বাণী প্রচার করেছেন। ইস্রাফিলের শিঙ্গার হুক্কারে অন্যায়ের অবস্থানের কথা বলেছেন। কোনোভাবেই অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে আপন মহিমায় নিজেকে প্রকাশ করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায় হঠাৎ অনেক মৃত্যু, জরার পর বাংলাদেশের মাটিতে সচেতনতার আবির্ভাব হয়েছে। অন্যায়ের অবসান, স্বাধীনতা নয়-তো মৃত্যুকে বেছে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে। মৃত্যুকে ভয় না করে আত্মঅধিকার আদায়ের অমোঘ বাণী প্রকাশ পেয়েছে। সব জ্বলে পুড়ে মরে গিয়ে ছারখার হলেও অধিকার আদায় ছাড়া মাথা নত না করার বাণী প্রচারিত হয়েছে।
'বিদ্রোহী' কবিতায় আত্মঅধিকার আদায়ের জন্য কবি সচেতনতার বীজ বপন করে অন্যায়ের অবসানে মহা প্রলয়, সাইক্লোন হয়ে অনিয়ম, উচ্ছৃঙ্খলতা ভাঙার প্রত্যয় ব্যক্ত করে অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার যে বাণী প্রচার করেছেন, তা উদ্দীপকে সচেতনতার ধান এবং অন্যায়ের প্রতিবাদে সব জ্বলে পুড়ে মরে গেলেও মাথা নত না করার বিষয় উত্থাপনের মধ্য দিয়ে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবকে পুরোপুরি ধারণ করেছে।