আলোচ্য কবিতার কবির প্রত্যাশিত চেতনা ধারণ করায় "উদ্দীপকের কর্মকাণ্ড 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- এই পঙ্ক্তির প্রত্যাশারই প্রতিফলন।” মন্তব্যটি যথার্থ।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সের তরুণদের বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেছেন। কবি প্রার্থনা করেন, এসব বৈশিষ্ট্য যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসী পদক্ষেপ বর্ণিত হয়েছে। মৃত্যু-পঙ্গুত্ববরণও তাঁদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করেনি। তাঁদের ত্যাগ-তিতিক্ষা ও আত্মদানের বিনিময়ে বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি মুক্তিযোদ্ধাদের মতো সাহসী তরুণদেরই এদেশের বুকে কামনা করেছেন, যারা জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপত্তিকে পেরিয়ে যাওয়া তারুণ্যশক্তির জয়গান গেয়েছেন। জড় নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবকে পেছনে ফেলে নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন, কল্যাণ ও সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সহযোগিতা, চলার দুর্বার গতি এসবই আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকের মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝেও অপরাজেয় মানসিকতা ফুটে উঠেছে। তাই কবি এদেশের সকল সমস্যা উত্তরণের জন্য অপরাজেয় মানসিকতার তারুণ্যকে কামনা করেন।