হ্যাঁ, উদ্দীপকের সোনিয়া এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মর্মানুভূতিকে একই বৃত্তে বাঁধা যায়।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বর্ণিত হয়েছে কবির ব্যক্তিজীবনের বিষাদময়তার সুর। সাহিত্য সাধনার অনুপ্রেরণাদাতা স্বামীর মৃত্যুতে কবির জীবনে নেমে আসে অসীম শূন্যতা। ফলে প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও কবিমনে বিরাজ করছে রিক্ততার হাহাকার।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে ডাক্তার সোনিয়ার ব্যক্তিজীবনের দুঃসহ ঘটনা। চিকিৎসা সেবায় অনুপ্রেরণদাতা স্বামী প্রকৌশলী সালাম সাহেবের মৃত্যুতে তার জীবনে নেমে আসে অপরিসীম শূন্যতা। বাবা-মা কর্তব্যের খাতিরে তাকে এক ডাক্তার পাত্রের সাথে বিয়ে দিলেও সালাম সাহেবের স্মৃতি তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়ও কবি তাঁর প্রিয় স্বামীকে হারিয়ে গভীর শোকে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি স্বজন হারানোর বেদনায় আচ্ছন্ন। প্রকৃতিতে বসন্ত এলে কবিরা তার বন্দনা শব্দ সুষমায় ভরিয়ে তোলেন। কিন্তু আপনজন হারানোর বেদনায় ভারাক্রান্ত থাকায় কবিমনে বসন্তের সৌন্দর্য স্পর্শ পায়নি। তাঁর হৃদয় জুড়ে তখনও বিরাজমান ছিল শীতের রিক্ততা। অপরদিকে স্বামী সালাম সাহেবের আকস্মিক মৃত্যু উদ্দীপকের সোনিয়ার জীবনে নামিয়েছে প্রচণ্ড শূন্যতা। বাবা-মা তাকে দ্বিতীয় বিয়ে দিলেও সালাম সাহেবের স্মৃতি তাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সোনিয়া এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মর্মানুভূতিকে একই বৃত্তে বাঁধা যায়।