উদ্দীপকের মূল বক্তব্যের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়টি হলো প্রিয়জনের প্রতি স্মৃতিকাতরতা।
জীবন চলার পথে মানুষের অনেকের সঙ্গেই পরিচয় ঘটে। এদের মধ্যে কেউ একজন হয়ে ওঠে প্রিয়জন। আর মানবজীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনা হলো সেই প্রিয়জনকে হারানো। প্রিয়জন হারানোর ফলে যে শূন্যতা তা কখনো পূরণ হয় না।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কবির এমনই এক স্মৃতিকাতরতার প্রকাশ। কবি তাঁর কাব্য অনুপ্রেরণার প্রধান প্রিয় জীবনসঙ্গীকে হারিয়ে চরম দুঃখে পর্যবসিত হন। প্রিয়জনকে তিনি কোনোভাবেই ভুলতে পারেন না। তিনি প্রিয়জন বিয়োগে এতটাই কাতর যে বসন্তের রূপ-রস তাঁকে কোনোভাবেই সেই দুঃখ ভোলাতে পারে না। কবি নিজেই বলেন যে কোনোমতেই তাঁকে ভুলতে পারছেন না। উদ্দীপকে উদ্ধৃত কাব্যাংশটুকুর মূলভাবও এমনই। সেখানেও দেখা যায়, প্রিয়জনের প্রতি স্মৃতিকাতরতা। কোনোভাবেই সে তার প্রিয়জনকে ভুলতে পারছে না, যা 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল সুর। এভাবে প্রিয়জনের প্রতি স্মৃতিকাতরতার দিক থেকে উদ্দীপকের মূল বক্তব্যের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।