উদ্দীপক ও তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় দুঃখবোধের অনুভূতি এক সূত্রে গাঁথা। উক্তিটি সংহতিপূর্ণ।
প্রিয়জন অকালে হারানোর শুকাঅনুভূতি ও কষ্ট তাহারেই পড়ে মনে কবিতার মূল বিষয়। প্রিয়জন যখন অকালে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় তখন প্রকৃতপক্ষে জীবন অর্থহীন হয়ে যায়। এর প্রভাবে বিষাদ নেমে আসে চারপাশে। তখন প্রকৃতির সৌন্দর্য ও আনন্দের বিষয়গুলো আনন্দ মনে হয় না। আলোচ্য কবিতার কবি অসময়ে তার স্বামীকে হারিয়ে বেদনাহত।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কবি যাকে ভালোবেসেছিলেন সে কবিকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তার শূন্যতা তাকে পৃথিবীর সকল সৌন্দর্য মলিন করে দিয়েছে। তার কাছে এখন পৃথিবীর সবকিছুই মূল্যহীন।কবির চেতনা জুড়ে তার প্রিয়জনের ছবি।সেই প্রিয়জন কবির অস্তিত্বের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছেন,কিন্তু বাস্তবে তিনি আজ অনেক দূরে।
উদ্দীপক ও তাহারেই পড়ে মনে উভয়স্থানে দুঃখবোধের বেদনা অঙ্কিত হয়েছে। একদিকে কবিতার প্রিয়জনকে হারিয়ে এতটাই মর্মাহত হয়েছেন যে প্রকৃতিতে নতুন ঋতুর আগমন ঘটেছে, বসন্ত এসেছে সেদিকে তার কোন খেয়াল নেই।তার মনে শীতের রিক্ততা বাসা বেধেছে। প্রকৃতির সৌন্দর্য আজ তার কাছে অর্থহীন। অন্যদিকে উদ্দীপকেও প্রিয়জনকে হারিয়ে কবি আজ নিঃস্ব । প্রিয় জন হারিয়ে তার কাছে সবকিছু শুণ্য মনে হয়।জীবনকে আজ তার মূল্যহীন মনে হয়। প্রিয়জন হারানোর বেদনা মানুষের মর্মমূলে কতটা গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে তা উদ্দীপক ও তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় ওইভাবে ফুটে উঠেছে। উভয় ক্ষেত্রেই বিচ্ছন্নতার বেদনাবোধ এবং প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্কের দিকটিই প্রাধান্য পেয়েছে।এসব দিক পর্যালোচনা করে বলা যায়, প্রশ্নোত্ত মন্তব্যটি যথার্থ।