উদ্দীপকের রাশেদ সরল বিশ্বাসের কারণে যেভাবে প্রতারিত হয়েছে তা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রে বাস্তব সত্য হয়ে দেখা দিয়েছে।
আলোচ্য নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন সরলচিত্তের অধিকারী। তিনি বিশ্বাসঘাতক মিরজাফর এবং তার সহযোগীদের অকপটে বিশ্বাস করেছিলেন। কিন্তু তারা নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। ইংরেজদের সঙ্গে গোপনে ষড়যন্ত্র করে নবাবকে নির্মম পরিণতি বরণ করতে বাধ্য করেছিল তারা। আর নবাব তাঁর সরল বিশ্বাসের কারণে অমাত্যবর্গের কাছে এভাবে প্রতারিত হয়েছিলেন।
উদ্দীপকে আমরা রাশেদের মাঝে সরলতার প্রতিফলন লক্ষ করি। সে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা লোকটিকে পঙ্গু ভেবে তার উপকার করতে চেয়েছিল। কিন্তু লোকটি রাশেদের সাথে কৃতঘ্ন আচরণ করেছে, প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বাইক নিয়ে পালিয়েছে। পঙ্গুত্বের মুখোশ পরা লোকটি রাশেদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করতে পেরেছে কেবল তার সরলতার কারণে।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে আমরা নবাবকে প্রতারিত হতে দেখেছি তাঁর সরলতার কারণে। একই কারণে উদ্দীপকের রাশেদকেও আমরা প্রতারিত হতে দেখি। তারা যদি সহজেই অন্যের ওপর বিশ্বাস স্থাপন না করত, তাহলে এভাবে প্রতারিত হতো না। তাই নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, সরল বিশ্বাসের কারণে মানুষের প্রতারিত হওয়ার বিষয়ে প্রশ্নে উল্লিখিত মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পুরোপুরি সত্য হয়ে ধরা দিয়েছে।