শাহীন ও লর্ড ক্লাইভ উভয়েই উচ্ছৃঙ্খল ও বিত্তলোভী চরিত্র এবং আমাদের সমাজে তাদের মতো মানুষের সংখ্যা কম নয়।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্লাইভ উচ্ছৃঙ্খল ও অর্থলোভী ছিল। সে বাংলাকে যথেচ্ছভাবে লুণ্ঠন করতে দ্বিধাবোধ করেনি। ক্লাইভের মতো অর্থলোলুপ মানসিকতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর, উমিচাঁদ, ঘসেটি বেগম ও মিরনের মধ্যেও দেখা যায়। তারাও অর্থের জন্য নৈতিকতা বিসর্জন দিতে দ্বিধা করেনি।
উদ্দীপকের শাহীনের মধ্যে উচ্ছৃঙ্খলতা ও অর্থলোলুপ মানসিকতা লক্ষণীয়। সে নেশাগ্রস্ত একজন যুবক। তাছাড়া তার চুরি করার স্বভাবও লক্ষ করা যায়। ফলে কোনো স্থানেই সে সম্মান পায় না। তার নেতিবাচক চরিত্রের কারণেই তাকে মামাবাড়ি থেকে বিতাড়িত হতে হয়। সর্বোপরি শাহীন সমাজের কাছে একজন ঘৃণিত ব্যক্তি হিসেবেই পরিগণিত হয়।
উদ্দীপক ও আলোচ্য নাটকে নৈতিকতা-বর্জিত মানুষের দৃষ্টান্তস্বরূপ শাহীন কিংবা লর্ড ক্লাইভ নামগুলো এসেছে। কিন্তু শুধু এরাই নয়, আমাদের সমাজে এরকম আরও অনেক মানুষ রয়েছে। বরং বলা যায়, বর্তমান সময়ে এদেরই সংখ্যাধিক্য প্রকট হয়ে উঠেছে। যদি এরকম উচ্ছৃঙ্খল, অসৎ ও বিত্তলোভী মানুষ সমাজে না থাকত তাহলে সমাজটা আরও অনেক সুন্দর হতো। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে যথার্থ বলে বিবেচনা করা যায়।