উদ্দীপকের শেষ চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাবের প্রধান সেনাপতি মিরজাফরকে নির্দেশ করে।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি ছিলেন মিরজাফর। তিনি কূটকৌশল ও চাতুর্যের মাধ্যমে নবাবের অত্যন্ত প্রিয়পাত্র হয়েছিলেন। কিন্তু তার মেধা, বুদ্ধি ও কৌশলের মূলে ছিল ক্ষমতালিপ্সা।
উদ্দীপকে মহাজ্ঞানী, মহাধনবান, মহাগুণী ব্যক্তিকেও বর্জন করার কথা বলা হয়েছে যদি সে দুর্জন হয়। কারণ, জ্ঞানী-গুণী হলেও কর্মে সে নীচ। উদ্দীপকে এরকম ব্যক্তিকে পাষন্ড বর্বর বলা হয়েছে। তার প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা হয়েছে। আর এমন ঘৃণা করা যায় মিরজাফরকেই।
বাংলার ইতিহাসে সেনাপতি মিরজাফর বিশ্বাসঘাতকতাও নিকৃষ্ট মানুষের প্রতীক। তার স্বার্থপরতা আর ষড়যন্ত্রই পলাশির যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের কারণ। নবাব সহানুভূতিশীল হয়ে বার বার তাকে ক্ষমা করেছেন। কিন্তু আসলে সে ঘৃণার পাত্র। স্বজাতির বিরোধিতা করায় সে অসভ্য বর্বরের সমান। আর সেরকম মানুষের প্রতি উদ্দীপকে ঘৃণাই প্রকাশ পেয়েছে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ চরণ আলোচ্য নাটকের প্রধান সেনাপতিকে নির্দেশ করছে।