উদ্দীপকের চেতনা হলো দেশপ্রেম, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মিরমর্দান এবং মোহনলালের মধ্যে বিদ্যমান ছিল।
মিরমর্দান ও মোহনলাল নবাব সিরাজউদ্দৌলার অত্যন্ত বিশ্বাসী সেনাপতি ছিলেন। নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে অধিকাংশ সেনাপতি যেখানে বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়েছে সেখানে মিরমর্দান ও মোহনলাল জীবন দিয়ে হলেও বিশ্বাসের মর্যাদা রেখেছেন। পলাশির যুদ্ধে মিরমর্দান গোলার আঘাতে মৃত্যুবরণ করলে মোহনলাল ফরাসি যোদ্ধা সিনফ্রেকে সঙ্গে নিয়ে বীরদর্পে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত পুত্রসহ বন্দি হয়ে ক্লাইভের গুলিতে মৃত্যুমুখে পতিত হন তিনি।
উদ্দীপকে দেখতে পাই ব্রিটিশ শাসকদের অপশাসন ভারতবাসীকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। ব্রিটিশদের এই অত্যাচার প্রতিরোধে এগিয়ে এসেছেন মাস্টারদা সূর্যসেন ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে নিজের জীবন দিয়ে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার প্রমাণ করে যান তাঁর দেশপ্রেমের চেতনা। তাঁর মতোই দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন মিরমর্দান ও মোহনলাল। তাই বলা যায়, মিরমর্দান ও মোহনলালের মধ্যে উদ্দীপকে উল্লেখ্য দেশপ্রেমের চেতনা প্রবলভাবে বিদ্যমান ছিল।