উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিশ্বাসঘাতকতার দিকটি মনির চরিত্রের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বাংলার দেশপ্রেমিক নবাব সিরাজ তার রাজ্যসভা ও পরিবারের কিছু বিশ্বাসঘাতক চরিত্রের কারণে পলাশির যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হন। সেই চরিত্রের লোকগুলো স্বদেশ ও স্বজাতির চেয়ে স্বার্থের মোহে অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তারা বাংলার পরিবর্তে ইংরেজদের পক্ষাবলম্বন করে পলাশিতে দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দেয়। ঘৃণ্য সে চরিত্রের মধ্যে অন্যতম হলো সেনাপতি মিরজাফর, রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, জগৎ শেঠ, নবাবের খালা ঘসেটি বেগম প্রমুখ।
উদ্দীপকেও বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা রফিক উদ্দিনের নিকটাত্মীয় মনির রাজাকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। সে স্বদেশ ও আত্মীয়তার সম্পর্ককে জলাঞ্জলি দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হয়। বুঝিয়েও তাকে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে আনা যায়নি। মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে রাজাকার মনির মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরিয়ে দেয়। তার এই বিশ্বাসঘাতকতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর গংদের চরিত্রকেই ফুটিয়ে তোলে ।