উদ্দীপকের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলা চরিত্রের মধ্যে বেশি স্পষ্ট।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজ ছিলেন একজন আপাদমস্তক দেশপ্রেমিক। তিনি দেশে ব্রিটিশ বেনিয়াদের অপতৎপরতা ও মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও শোষণ প্রত্যক্ষ করে মুক্তির লক্ষ্যে আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। বাংলার নবাব হওয়া সত্ত্বেও তিনি অপমান, ষড়যন্ত্র সহ্য করেছেন কেবলমাত্র দেশের কথা চিন্তা করে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে যার অন্তরে দেশপ্রেম আছে তাকে কোনো অসম্মান স্পর্শ করতে পারে না। শত কলঙ্ক বুকে নিয়েও কালের পৃষ্ঠার মতো সে এগিয়ে চলে। তাই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তিনি সবার হৃদয়ে বেঁচে থাকেন। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজের দেশাত্মবোধ এতটাই প্রগাঢ় ছিল যে তিনি কোনো কিছুতেই অপশক্তির কাছে মাথা নত করেননি। তাঁর প্রধান সেনাপতি মীরজাফর, আপন খালা ঘসেটি বেগম, সেনাপতি রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ, উমিচাঁদ প্রমূখ ব্যক্তিদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র নবাব হিসেবে তাঁর জন্য অস্বস্তিকর বিষয় ছিল। নবাবের কাছের লোক হিসেবে তারা যখন শত্রুর সাথে আঁতাত করে তখন তা তাঁর জন্য অসম্মানের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এসব দিক গায়ে না মাখিয়ে দেশপ্রেমের টানে ব্রিটিশ বেনিয়াদের দমন ও দেশের মানুষকে মুক্তি দানের নিমিত্তে সামনে এগিয়ে যান।