উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমানের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ”।
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের প্রধান চরিত্র। পিতা জয়নুদ্দিন ও মাতা আমিনা বেগমের জ্যেষ্ঠ পুত্র। ১৭৩৩ সালে জন্ম ও ১৭৫৬ সালে সিংহাসেন বসেন। তিনি ছিলেন তেজস্বী, নির্ভীক, সত্যাশ্রয়ী, বীরযোদ্ধা, কর্তব্যপরায়ণ প্রজাপালক দেশপ্রেমিক। নবাবের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই তাঁকে ঘরে ও বাইরে নানাভাবে শত্রুর মুখোমুখি হতে হয়। ইংরেজনে অত্যাচার, অনাচার ও অনিয়মগুলোর মূলোচ্ছেদ করার জন্য তিনি কলকাতা অভিযান করে ইংরেজদের দুর্গ ধ্বংস করেন এবং গভনর ডেকের বাড়ি নিশ্চিহ্ন করে তাদের বিতাড়িত করেন। বড় খালা ঘসেটি বেগমকে রাজপ্রাসাদে নিয়ে এসে নজরবন্দি করে রাখেন মিরজাফর, জগৎশেঠ, রাজবল্লভ ও উমিচাঁদকে দেশরক্ষার স্বার্থে উজ্জীবিত করার জন্য পবিত্র কোরান ও তুলসী-গঙ্গাজল ছুঁইয়ে শব্দ উমিচাঁদ : 'সিরাজউদ্দৌল ইংরেজদের ব্যবসায়ে দান যথেষ্ট প্রভাবশালী হয়ে করান। তিনি ইংরেজ প্রতিনিধি ওয়াটসকে কড়া জবাবদিহিতার আওতায় আনেন এবং সমস্ত অত্যাচার-অনাচার বন্ধ করার হুম দেন। তিনি রাজ্য রক্ষা ও রাজ্যের কল্যাণের জন্য কাজ করেন।
১৭৫৬ সালে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করেন। শওকতজঙ্গের বিশাল হারেম তাকে পালন করতে হয়। সিরাজকে বন্দী করে মুর্শিদাবাদে আনা হলে মোহাম্মদী বেগ তাঁকে ১০ হাজার টাকা চুক্তির বিনিময়ে জাফরগঞ্জের কয়েদখানায় হত্যা করে।