'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বর্ণিত যুদ্ধের ময়দানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মিরজাফর তার সৈন্য নিয়ে যুদ্ধ না করে দাঁড়িয়ে থাকার ঘটনাটির সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য রয়েছে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দেখা যায় ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি ও গুরুত্বপূর্ণ অমাত্যবর্গ বিশ্বাসঘাতকতা করে । সেখানে নবাবের অমাত্যবর্গ নবাবের নির্দেশ অমান্য করে ইংরেজদের পক্ষে কাজ করে। যুদ্ধের ময়দানে মিরজাফরের সৈন্যবাহিনী যুদ্ধ না করে দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে পলাশির যুদ্ধে নবাবের বিপুল সমরসামর্থ্য থাকার পরেও নবাবকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়।
উদ্দীপকের কবিতাংশে দেখা যায়, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধক্ষেত্রে সৈন্যগণ এমনভাবে দাঁড়িয়ে আছে, যেন দেখে মনে হচ্ছে প্রাচীর । বাংলার সিংহাসনের পতন জেনেও তাদের এরূপ আচরণ কবিকে বিস্মিত করেছে। আর এই দিকটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটককে সমতুল্য করে তুলেছে। নাটকেও দেখা যায় বিপুল সৈন্যবাহিনী থাকার পরেও নবাব সিরাজ যুদ্ধে পরাজিত হন । কেননা, তাঁর সৈন্যবাহিনী যুদ্ধ না করে দাঁড়িয়ে ছিল। আর এ ঘটনাই উদ্দীপক ও আলোচ্য নাটককে সাদৃশ্যপূর্ণ করে তুলেছে ।