উদ্দীপকে তীব্র লড়াইয়ে শত্রুপক্ষ পরাজিত হলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবের পতন ঘটায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন দেশপ্রেমিক বীর । তাঁর পক্ষে ছিল মোহনলাল, মিরমদান, সাঁফ্রেসহ দেশপ্রেমিক শক্তি। তাঁরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য লড়াই করেছেন। কিন্তু বিশ্বাসঘাতক মিরজাফর ও তার দোসরদের প্রতারণায় পলাশির যুদ্ধে নবাব পরাজিত হন। ফলে প্রবল দেশপ্রেম ও দৃঢ় প্রত্যয় থাকা সত্ত্বেও সেই যুদ্ধে দেশপ্রেমিক শক্তির পরাজয় ঘটে।
উদ্দীপকে মুন্সি আবদুর রউফ ও তাঁর সহযোদ্ধারা দেশপ্রেমিক যোদ্ধা। তাঁরা প্রবল পরাক্রমে শত্রুসেনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। তাদের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তীব্র প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। এই যুদ্ধে মুন্সি আবদুর রউফ শহিদ হলেও তাঁর রক্ত বৃথা যায় না। তাঁর রক্তের বদলায় শত্রুরা পরান্ত হয়। বিজয়ী হন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধারা। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও তাঁর সঙ্গী দেশপ্রেমিক যোদ্ধারা শত্রুর কাছে পরাজিত হলেও উদ্দীপকে ঘটে উলটো ঘটনা। সেখানে শত্রুসেনারা পরাস্ত হয় এবং দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়ী হওয়ার আভাস পাওয়া যায়। তাই সার্বিক বিচারে বলা যায়, উদ্দীপকে বিজয়ের বারতা থাকলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পরাজয় ঘটেছে দেশপ্রেমিক শক্তির” প্রশ্নোক্ত এই মন্তব্যটি যথার্থ।