• 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যে দেশি-বিদেশি চরিত্রের ঘৃণ্য চক্রান্তের পরিচয় পাওয়া যায় তা উদ্দীপকে অনুপস্থিত।'- উক্তিটি যথার্থ।
• আমাদের সমাজে এমন কিছু অসৎ ব্যক্তি আছে যাদের কাছে আপন স্বার্থের চেয়ে বড় অন্য কিছুই নেই। অর্থ ও ক্ষমতার মোহে তাদের হিতাহিত জ্ঞান, দেশপ্রেম ও মনুষ্যত্ববোধ মুখ থুবড়ে পড়ে।
• 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবের পতন এবং বাংলার স্বাধীনতা হারানোর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ নবাবের অমাত্যদের বিশ্বাসঘাতকতা। দেশ রক্ষার শপথ নিয়েও ক্ষমতার লোভে তারা শত্রুর সঙ্গে হাত মেলায়। দেশপ্রেমিক সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করে, মিরজাফরকে ক্ষমতার আসনে বসায়। ক্লাইভের কূটকৌশলে মিরন মোহাম্মদি বেগকে দিয়ে নবাবকে নির্মমভাবে হত্যা করা। উদ্দীপকে এ সকল বিষয় অনুপস্থিত। এখানে শুধু লক্ষ্মণ সেনের পরাজয় ও পলায়ন এবং বখতিয়ার খিলজির রাজ্য লাভের কথা বলা হয়েছে।
• 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র, আত্মীয়দের ক্ষমতার লোভে নবাবের বিরোধিতা, নবাবের উৎকণ্ঠা, দেশপ্রেম, নবাবের করুণ পরিণতি, পুনরায় সৈন্য সংগ্রহের চেষ্টা, ব্যর্থ হওয়া ইত্যাদি বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে। ক্ষুদ্র বিদেশি শক্তির কাছে বিশাল সাম্রাজ্যের নবাবের পরাজয়ের পেছনে স্বদেশিদের অসহযোগিতা, বিশ্বাসঘাতকতা ও দেশি-বিদেশি ঘৃণ চরিত্রের কারণেই নবাবের পরাজয় হয়েছে, তা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।