• 'অর্থ ও স্বার্থচিন্তা' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে।'- মন্তব্যটিকে আমি সমর্থন করি।
• অর্থ মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হলেও অধিক অর্থলোভ মানুষকে স্বার্থবাদী করে তোলে। অর্থলোভী মানুষ সামান্য অর্থের জন্য হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে।
• অর্থ ও স্বার্থচিন্তা কেবলমাত্র সিরাজউদ্দৌলার পতনের পটভূমি তৈরি 'করেনি, বরং এটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের সিদ্ধান্ত ও কর্মপ্রণালিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। মিরজাফর সিরাজউদ্দৌলার ঘনিষ্ঠ সঙ্গী হলেও ক্ষমতার লোভ ও অর্থের প্রলোভনে ইংরেজদের সঙ্গে চক্রান্ত করেন। তার ব্যক্তিগত স্বার্থ ও ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা সিরাজের বিরুদ্ধে তাকে দাঁড় করায়। সিরাজের খালা ঘসেটি বেগমেরও ক্ষমতার লোভ এবং বিশ্বাসঘাতকতার দিকটি ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে ইংরেজরাও মূলত অর্থ ও স্বার্থের জন্য সিরাজের পতন চায় এবং প্রাসাদ ষড়যন্ত্র থেকে যুদ্ধের ময়দান তৈরি করে।
• উদ্দীপকে অর্থের কারণে উদ্বুদ্ধ হওয়া সংকটের কথা ব্যক্ত করা হয়েছে। অর্থবিত্তের লোভ মানুষের মানবিক মর্যাদা নষ্ট করে বর্বর মানুষে পরিণত করে, যা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকোর মূল কাহিনির সাথে সংগতিপূর্ণ। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।