• উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাউদ্দৌলার পরাজয় ও বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার দিকটি সম্পৃক্ত হয়েছে।
• প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা অঞ্চল অর্থসম্পদে প্রাচুর্যপূর্ণ ছিল। ফলে অনেক বিদেশি বণিক আকৃষ্ট হয়ে এদেশে বাণিজ্য করতে আসে। শুরুতে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এলেও এদেশের ক্ষমতালাভের প্রতি লোভতাদের মাঝে জেঁকে বসে।
• 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দেখা যায়, বাণিজ্যের কারণে এদেশে আসা ইংরেজরা ক্রমশ রাজনীতিতে তাদের আধিপত্য বিস্তারে সচেষ্ট হয়। নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণের পর তাঁর সততা, স্বপ্ন অভিজ্ঞতা ও প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের ফলে ইংরেজদের ক্ষমতালাভের বাসনা সত্যিরূপে প্রকাশিত হয়। ইংরেজ গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ ছিলেন যেমন ধূর্ত, তেমনি সাহসী এবং মিথ্যাবাদী ও কৌশলী। নবাবের অধিকাংশ লোভী, স্বার্থপর, শঠ ও বিশ্বাসঘাতক অমাত্য ও সেনাপতিদের উৎকোচ ও প্রলোভন দেখিয়ে নিজের দলে ভিড়িয়ে নেন। ফলে পলাশির যুদ্ধে নবাবের সৈন্যরা যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে এবং নবাবের পরাজয় হয়। রবাট ক্লাইভের শঠতা ও কুচক্রের কারণে নবাব সিরাজের করুণ পরিণতি ও মৃত্যু হয় এবং বাংলার স্বাধীনতার সূর্যও অস্তমিত হয়। উদ্দীপকেও সে বিষয়টিকেই তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে আবারও নতুন সূর্যোদয়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে।