উদ্দীপকের প্রতিপক্ষের লোকজন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর, উমিচাঁদ, মানিকচাঁদ, ঘসেটি বেগম, জগৎশেঠ, রাজবল্লভ, মোহাম্মদি বেগ ও রায়দুর্লভ চরিত্রসমূহের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পলাশি যুদ্ধের ঐতিহাসিক কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ঘটে যাওয়া পলাশির যুদ্ধে নিজের ঘনিষ্ঠজনদের বিশ্বাসঘাতকতা ও ষড়যন্ত্রের ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্ত যায়। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজদের হাতে শোচনীয়ভাবে পরাজিত ও নিহত হন।
উদ্দীপকে দেশমাতৃকার টানে রমিজ গোপনে যুদ্ধে গিয়েছিল। কিন্তু প্রতিপক্ষের লোকেরা বিষয়টি বুঝতে পেরে তার ভিটেবাড়ি পুড়িয়ে দেয় এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যদের গুলি করে হত্যা করে। উদ্দীপকের এই প্রতিপক্ষের লোকেরা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতক চরিত্রসমূহকে তুলে ধরে। প্রধান সেনাপতি মিরজাফর, ঘসেটি বেগম, উমিচাঁদ, মানিকচাঁদ চরিত্রসমূহসহ নবাবের একান্ত ঘনিষ্ঠ রাজ-অমাত্যরাই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ফলে নবাবকে অসহায়ভাবে পরাজিত হতে হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের প্রতিপক্ষের লোকজন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী ও বিশ্বাসঘাতক চরিত্রসমূহের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।