স্বার্থের জন্য আপনজন দূরে সরে যাওয়ার দিকটি ফুটে ওঠায় "উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের স্বার্থপরতার বিষয়টি একসূত্রে গাঁথা।" মন্তব্যটি যথার্থ।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ঘনিষ্ঠজনের ষড়যন্ত্রের মুখে নবাবের পতন বর্ণিত হয়েছে। স্বার্থের জন্য নবাব সিরাজউদ্দৌলা খালা ঘসেটি বেগম, প্রধান সেনাপতি মিরজাফর ও রাজ অমাত্যবর্গের ষড়যন্ত্রের শিকার হন।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে- প্রাণের আকুতির কথা কেউ জানতে চায় না। পৃথিবীতে স্বার্থের জয়গানই ধ্বনিত হয়। স্বার্থের কারণে আপনজনও দূরে সরে যেতে দ্বিধাবোধ করে না। পাশাপাশি থেকেও কেউ কাউকে 'বোঝে না, অনুভব করে না তার মতো করে তার সংকটগুলোকে। অন্যদিকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজের পতনের অন্যতম কারণ স্বার্থের জন্য আপনজনদের ষড়যন্ত্র।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে স্বার্থপরতার নানা কদর্য দিক ধ্বনিত হয়েছে। নবাবের সেনাপতি মিরজাফর মসনদের লোভে, ঘসেটি বেগম ক্ষমতার লোভে, উমিচাঁদ অর্থের লোভে, ইংরেজরা ভারতবর্ষকে লুট করার জন্য নবাবের পরাজয়কে ত্বরান্বিত করে। এরা প্রত্যেকে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা ও স্বার্থের জন্য নবাবের বিরুদ্ধে লিপ্ত হয়। উদ্দীপকে স্বার্থের টানে প্রিয়জনের দূরে সরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের স্বার্থপরতার বিষয়টি একসূত্রে গাঁথা।