উদ্দীপকের রমনের পরিণতি এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজের পরিণতি সম্পূর্ণ ভিন্ন”-উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
উত্তর: 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন। তাঁর নানা মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে সিংহাসন দিয়ে যান। এ ঘটনাটি সহ্য হয়নি তাঁর খালা ঘসেটি বেগম এবং প্রাসাদের অমাত্যদের। সেই সাথে ইংরেজরা বাংলাকে দখল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। মিরজাফরসহ নানা অমাত্যরা হাত মেলায় ইংরেজদের সাথে। পলাশির যুদ্ধে নবাব নিজেদের লোকের দ্বারা প্রতারিত হন এবং পরাজিত হন। শেষে তাঁর বাবা-মার পালিত পুত্র মোহাম্মদি বেগের হাতে তাঁর করুণ মৃত্যু ঘটে। বাংলা হারায় তার স্বাধীনতা। কিন্তু উদ্দীপকে আমরা এক অবস্থা দেখতে পাই, যখন দোনো বন্ধু বিপদের সম্মুখীন হয় তখন রতন রমন কে ছেড়ে স্বার্থপরের মত নিজের জীবন বাঁচায়। পরবর্তীতে রমন বুঝতে পারে বিপদের সময় যে বন্ধু এগিয়ে আসে সেই প্রকৃত বন্ধু। প্রকৃত বন্ধু কখনো বিপদ দেখে পালায় না। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরজাফর সিরাজের প্রধান সেনাপতি হওয়া সত্ত্বেও সিংহাসনে আরোহণের স্বপ্নে ইংরেজদের সাথে হাত মেলায়। পলাশির যুদ্ধে নবাবের পক্ষে যুদ্ধ করেননি তিনি। এমনকি তিনি সিরাজের পতনকে ত্বরান্বিত করার জন্য দেশপ্রেমিক সৈনিকদেরও যুদ্ধ করার সুযোগ দেননি। ফলে পলাশির যুদ্ধে পতন হয় সিরাজের। মিরজাফর ১৭৫৭ সালে ২৯ জুন ক্লাইভের হাত ধরে মসনদে আরোহণ করেন। কিন্তু ইংরেজদের স্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় তাকে গদিচ্যুত করে তার জামাতা মিরকাসিমকে বাংলার মসনদে বসানো হয়। পরবর্তীতে তাকে পুনরায় সিংহাসনে বসানো হলেও কুষ্ঠরোগে সে মারা যায়। এদিকে মিরজাফরের ভুলের কারণে বাংলাকে শোষিত হতে হয় ইংরেজদের দ্বারা। মিরজাফর সিরাজের ক্ষতি করতে গিয়ে কেবল নিজের নয়, বরং পুরো বাংলার ধ্বংস ডেকে আনেন।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯ · সৃজনশীল
উদ্দীপকের রমনের পরিণতি এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজের পরিণতি সম্প…
উদ্দীপক
Barisal · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর