• "উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার বিষয় সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য রয়েছে।
• বাঙালি জাতির সংস্কৃতি ও সংগ্রামী ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে বাঙালি বিশ্বের দরবারে স্থান করে নেওয়া জাতি। বাঙালির ইতিহাস হাজার বছরের সংগ্রামের ইতিহাস। শোষণ-অত্যাচার-নিপীড়ন সহ্য করে, প্রতিবাদ করে টিকে থাকার ইতিহাস।
• 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি এদেশের মানুষের ওপর যুগে যুগে শাসক-শোষকদের অত্যাচার নির্যাতনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। বিদেশি শাসক দ্বারা দীর্ঘদিন বাঙালি শোষিত, অত্যাচারিত, নির্যাতিত হয়েছে। শত্রুরা বাঙালির সঙ্গে ক্রীতদাসের মতো আরচণ করেছে। তারা কাপুরুষের মতো এদেশের মানুষকে আঘাত করেছে। তারা অন্যায়ভাবে এদেশের মানুষের পিঠে চাবুক চালিয়েছে, যা রক্ত জবার মতো রক্তাক্ত ক্ষত সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিনের সেই অত্যাচারে, শাসন-শোষণ-নির্যাতনের কারণে কবির পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষতচিহ্ন ছিল। কবিতার এসব বিষয় উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। উদ্দীপকে যে ঐতিহ্য চেতনার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা এই কবিতার ঐতিহ্য চেতনার দিকটিকে নির্দেশ করেছে।
• 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় ঐতিহ্যসচেতন শিকড়সন্ধানী মানুষের সর্বাঙ্গীণ মুক্তির দৃপ্ত ঘোষণা ব্যক্ত হয়েছে। এই দিকটি উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। এ কবিতার কিংবদন্তি বলতে লোকপরম্পরায় শ্রুত ও কথিত বিষয় বা একটি জাতির যে ঐতিহ্যের পরিচয় দেওয়া হয়েছে তার সঙ্গে উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর মিল আছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য রয়েছে।