• "দেশ ও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে অনুচ্ছেদ এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূলকথা একসূত্রে গাঁথা”- মন্তব্যটি যথার্থ।
• দেশপ্রেম মানুষের মহৎ গুণ। দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য দেশপ্রেমিকেরা জীবন দিতে সদা প্রস্তুত থাকেন। কেননা তাদের কাছে তখন সবকিছু ছাপিয়ে মুখ্য হয়ে ওঠে দেশ ও জাতির মুক্তি।
• অনুচ্ছেদের ঘটনায় দেখা যায় আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালি মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। তারা দেশমাতৃকার জন্য অপরিমেয় প্রেম নিয়ে অকাতরে জীবন বিলিয়ে দেন। তাদের কাছে সবচেয়ে বড় হলো দেশ আর দেশের স্বাধীনতা। অন্যদিকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজের বিশ্বস্ত কিছু সেনাপতি মিরমর্দান, সাঁফ্রে, মোহনলাল প্রমুখ ব্যক্তিদের মধ্যেও এই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিতে দেখি। তাদের আত্মত্যাগ, নবাব সিরাজউদ্দৌলার আত্মত্যাগের মূল উপজীব্য হলো দেশপ্রেম।
• 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে অকৃত্রিম দেশপ্রেম পরিলক্ষিত হয়। তিনি ভালোবেসেছেন দেশকে, দেশের মানুষকে। দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য তিনি এবং তার অনুসারী সেনাপতিরা জীবন বাজি রেখে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। শেষপর্যন্ত দেশের স্বার্থে নিজেদের জীবনের বিনিময়ে হলেও শত্রুকে ধ্বংস করতে চেয়েছেন। সুতরাং এখানে নিশ্চিতভাবে তাদের মধ্যে দেশপ্রেম পরিলক্ষিত হয়, যা অনুচ্ছেদেও বিদ্যমান। তাই বলা যায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।