• "উদ্দীপক দুটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ভাবকে পুরোপুরি ধারণ করেছে।"- হ্যাঁ, আমি এই মন্তব্যের সাথে একমত।
• দেশের দুঃসময় জাতির দুর্গতির লগ্নে দেশপ্রেমিক ও দেশদ্রোহীদের মুখোশ উন্মোচিত হয়। দেশদ্রোহীরা হীন স্বার্থের জন্য দেশকে বিক্রি করে দিতেও ভাবে না। অন্যদিকে দেশপ্রেমিক বীরেরা আমৃত্যু দেশের পক্ষে লড়াই করেন।
• উদ্দীপকের প্রথম অংশে ঘোষিত হয়েছে দেশের স্বার্থে জাতি-ধর্ম-গোত্র নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান। আর দ্বিতীয় অংশে বর্ণিত হয়েছে দেশের সংকটকালে দেশপ্রেমিক ও বিশ্বাসঘাতকদের কর্মকাণ্ড। কিছু কিছু স্বার্থান্বেষী দেশের দুঃসময়েও নিজেদের স্বার্থ হাতিয়ে পালায়। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও উদ্দীপকের অনুরূপ ঘটনার প্রকাশ ঘটেছে। একদিকে দেশের পক্ষে নবাবের সঙ্গে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে দেশরক্ষায় রত ছিলেন মিরমর্দান, মোহনলালের মতো দেশপ্রেমিক বীরেরা। অন্যদিকে নবাবের ঘনিষ্ঠজন, সভাসদেরা নবাবের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি করেছে।
• উদ্দীপকের দেশরক্ষার আহ্বান ও দেশপ্রেমিকদের সাহসী ভূমিকার পাশাপাশি বিশ্বাসঘাতক স্বার্থান্ধের মতো পালানো দলও রয়েছে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও সিরাজের দেশরক্ষার আহ্বান, দেশপ্রেমিক বীরদের ভূমিকার পাশাপাশি দেশেদ্রোহী বিশ্বাসঘাতক মহলও রয়েছে। যার ফলে বাংলার আকাশ থেকে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপক দুটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সমগ্র ভাবকে ধারণ করেছে।