• 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তির শেষ পরিণতি হয়েছিল অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক।
• অর্থবিত্তের লোভে মানুষ ন্যায়-অন্যায় ভুলে গিয়ে মনুষ্যত্বহীন হয়ে পড়ে। প্রভাব-প্রতিপত্তি ও ক্ষমতার লোভে পড়ে মানুষ নিজের চরম আত্মীয়ের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। তবে যারা অন্যের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাদের জীবন সুখের হয় না।
• উদ্দীপকে স্বার্থান্বেষী মানুষের কিছু নেতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়েছে। যারা সুবিধা আর ক্ষমতার লোভে মিথ্যাকে সত্য প্রমাণ করতে চায়। বহিঃশত্রুর সাথে হাত মিলিয়ে আপজনদের ক্ষতি করে। তবে এই বিশ্বাসঘাতকদের শেষ পরিণতি অত্যন্ত করুণ হয়ে থাকে।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজের কাছের মানুষেরাই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেয়। যার ফলে সিরাজের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। বাংলায়ও নেমে আসে করুণ পরিণতি। তবে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের পরিণতি হয়েছিল অত্যন্ত করুণ। লর্ড ক্লাইভ আত্মহত্যা করেন, মিরজাফর নামটিই হয়ে উঠেছে বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক, উমিচাঁদ টাকার শোকে শেষ জীবনে পাগল হয়ে যান। ঘসেটি বেগম বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মারা যান। এরকম মানিকচাঁদ, জগৎশেষ্ঠ, মিরন, রাজবল্লভসহ প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের শেষ পরিণতি হয়েছিল অত্যন্ত মর্মান্তিক। তাই বলা যায়, যারা অন্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তাদের শেষ পরিণতি কখনোই
সুখের হয় না। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে তার প্রমাণ পাওয়া যায়।