• "উদ্দীপকের বশিরউদ্দিন ও বাদলের মাঝে যে আত্মার সম্পর্ক, তা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে তেমন দেখা যায় না।"- এ উক্তিটির সাথে আমি একমত।
• অকৃতজ্ঞ, স্বার্থপর ব্যক্তিরা সমাজ, দেশের ক্ষতি করে থাকে। তারা নিজের স্বার্থে পরম আত্মীয় ও জন্মভূমির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে।
• উদ্দীপকে দুঃসময়ে কেউ চেয়ারম্যান বশিরউদ্দিনের পাশে না থাকলেও পাশে থাকে চাকর বাদল। সে সারা জীবন মনিবের সেবা করার প্রতিজ্ঞা করে। অন্যদিকে, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে আত্মীয়-পরিজন ও প্রধান রাজ অমাত্যরা কৃতজ্ঞতার বদলে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। নবাব তাদের ওপর বিশ্বাস ও ভরসা করলেও তারা বেইমানি করেছে। মিরজাফর নিজে নবাব হওয়ার স্বপ্নে ইংজেরদের পক্ষ নিয়েছে এবং উমিচাঁদ, রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ, ঘসেটি বেগম নবাবকে পরাজিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ফলে পলাশির যুদ্ধে নবাবের পরাজয় ঘটেছে।
• উদ্দীপকের বশির উদ্দিন ও বাদলের মাঝে যে আত্মার সম্পর্ক তা যদি আলোচ্য নাটকের মিরমর্দান, রায়দুর্লভ, সাঁফ্রের ন্যায় অন্যদের মাঝে থাকত তবে যুদ্ধে ইংরেজরা পরাজিত হতো এবং নবাব জয়ী হতেন। এই দিক বিচারে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।