• "বিপ্লবের মন্ত্রে উজ্জীবিত দেশপ্রেমই সংগ্রামের মূল চালিকাশক্তি”- উক্তিটি যৌক্তিক।
• দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য জীবন দিতে সদা প্রস্তুত থাকেন। শত্রুর চোখ-রাঙানি কিংবা অস্ত্রের ভয় কোনো কিছুই তাদেরকে দমিয়ে রাখতে পারে না। এভাবে তারা হয়ে ওঠেন সংগ্রামী।
• উদ্দীপকের কামাল হোসেন দেশকে ভালোবেসে যুদ্ধ করতে করতে দেশের জন্য তার মূল্যবান জীবনকে উৎসর্গ করেন। দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়েই তিনি সংগ্রামী হয়ে উঠতে পেরেছে। অন্যদিকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজের বিশ্বস্ত কিছু সেনাপতি মিরমর্দান, মোহনলাল প্রমুখের মধ্যেও আমরা এই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিতে দেখি। তাদের আত্মত্যাগ, নবাব সিরাজউদ্দৌলার আত্মত্যাগের মূল উপজীব্য হলো দেশপ্রেম।
• 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে অকৃত্রিম দেশপ্রেম পরিলক্ষিত হয়। দেশপ্রেমিক শাসক হিসেবে সাধারণ মানুষের কষ্টের দিকগুলো খুব সহজেই তিনি অনুধাবন করেছেন। দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য তিনি এবং তার অনুসারী সেনাপতিরা জীবন বাজি রেখে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। শেষ পর্যন্ত দেশের স্বার্থে নিজেদের জীবনের বিনিময়ে হলেও শত্রুকে ধ্বংস করতে চেয়েছেন। ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিপ্লবের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে দেশপ্রেমের চেতনা ধারণ করেই সংগ্রামী হতে পেরেছে, যা উদ্দীপকেও দেখা যায়। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যৌক্তিক।