• সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে উদ্দীপকে উল্লিখিত দিকটিই যথেষ্ট বলে আমি মনে করি না।
• মানুষের কল্যাণ সাধনের মধ্যে মানবজীবনের সার্থকতা নিহিত। মূলত বুদ্ধিদীপ্ত সৃজনশীল মানবিক কর্মের মাধ্যমে মানব-কল্যাণ সম্ভব।
• উদ্দীপকে ভালোবাসার মাধ্যমে জাতি, সম্প্রদায়, গোষ্ঠীগত চেতনা ও লোভকে নিশ্চিহ্ন করে সামগ্রিক মানব-কল্যাণে ব্রত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধেও তিনি মানুষকে আর্থিক সাহায্য না করে, দান-খয়রাত না করে তার সার্বিক উন্নতি ঘটাতে বলেছেন। আর সার্বিক উন্নয়নের উপায় হিসেবে তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতা এবং মুক্তবুদ্ধির সহায়তার প্রতি।
• 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক সামগ্রিক মানব-কল্যাণের কথা বলেছেন। উদ্দীপকে মানব-কল্যাণের জন্য পারস্পরিক ভালোবাসার দিকটিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। কিন্তু প্রবন্ধে মানব-কল্যাণের হাতিয়ার হিসেবে ভালোবাসার পাশাপাশি যে মুক্তবুদ্ধি, সুপরিকল্পনা ও সৃজনশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে, তা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে উদ্দীপকে উল্লিখিত দিকটিই যথেষ্ট নয়।