• মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াসের দিক থেকে উদ্দীপকটির 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাথে মিল রয়েছে।
• আমরা মানব-কল্যাণ বলতে কারও অপাত সমস্যার সমাধানকেই বুঝি, যা মোটেও সঠিক নয়। কেননা এতে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান তো হয়ই না বরং ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের অবনমন ঘটে।
• উদ্দীপকের কবিতাংশে অনিষ্টকারীর প্রতি কবির সহানুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণে যে তার স্বপ্ন হরণ করেছে তিনি তার স্বপ্ন গড়ে তুলতে চান, নিজে অশ্রুজলে নিমজ্জিত হয়েও তিনি তার মুখে হাসি দেখতে চান, তাকে প্রেমের আলোয় উদ্ভাসিত করতে চান। এভাবে নিজের সবটুকু দিয়ে তিনি অনিষ্টকারীর মঙ্গল সাধন করতে চান। একইভাবে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধেও প্রাবন্ধিক মানব-কল্যাণ কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। আর তাই প্রকৃত অর্থে মানব-কল্যাণকে তিনি মানুষের সার্বিক কল্যাণের চেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন, যা উদ্দীপকের কবিতাংশেরও মূল বিষয়। এদিক থেকে উদ্দীপকটির আলোচ্য প্রবন্ধের সাথে মিল রয়েছে।