উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্র ডাক্তার রেজাউলের ভূমিকা 'মানব- কল্যাণ' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশিত মানব-কল্যাণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। • আমাদের সমাজে মানব কল্যাণ বলতে করুণার বশবর্তী হয়ে অসহায় মানুষকে দান-খয়রাত দেওয়াকে বোঝানো হয়। অথচ এটি আমাদের একটি ভুল ধারণা। কেননা সৃষ্টির সেবা জীব হিসেবে অন্যের উপর নির্ভরশীল হওয়া মূলত মানব-মর্যাদার অবমাননা। সত্যিকারের মানব-কল্যাণ হলো মানুষকে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করা ।
•
• উদ্দীপকের ফুলপুর গ্রামের দরিদ্র চা-বিক্রেতা দাউদ। পিতৃহীন সংসারে পঙ্গু দাউদই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। অভাব-অনটনের সংসারে কোনোভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তার। বসতঘরের দশা বেহাল হওয়ায় ডাক্তার রেজাউল তাকে একটা পাকাঘর তুলে দেন। 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লেখক মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার উপদেশ দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, স্রেফ সদিচ্ছা দ্বারা মানব-কল্যাণ সাধিত হয় না। সমস্যা সমাধানে তিনি নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করতে বলেছেন। তিনি মনে করেন, মানুষকে সাহায্য-সহায়তা করে তার সম্ভাবনার জগৎকে জাগ্রত করাই হলো প্রকৃত মানব কল্যাণ, যা উদ্দীপকের ডাক্তার রেজাউলের ভূমিকায় ফুটে উঠেছে।