উদ্দীপকের ভেলরি টেইলরের কর্মকাণ্ড এবং মানব-কল্যাণ প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা একসূত্রে গাঁথা।মন্তব্যটি যথার্থ ।
যুগে যুগে মহৎ ব্যক্তিরা নিঃস্বার্থভাবে পরপকার করে পৃথিবীতে মানবসেবার অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। আমরা যদি তাদেরকে অনুসরণ করে মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করি, তাহলে জগতে যথার্থ মানবকল্যাণ সাধিত হবে।
উদ্দীপকে ৭২ বছর বয়সী ভেলরি টেইলরের বাংলাদেশে মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশে সিআরপি স্থাপন করে মানবসেবায় এগিয়ে এসে বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের ক্ষেত্রে তার মহৎ কর্মপ্রচেষ্টার বিষয়টি মানব-কল্যাণ প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ প্রবন্ধে লেখক সবাইকে মানবসেবায় এগিয়ে আসতে বলেছেন।
ধর্ম-বর্ণ-জাতির দোহাই দিয়ে বিভক্তিকরণ নীতি গ্রহণ না করে তিনি মানুষকে মানবিক হয়ে মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করতে বলেছেন। এই চেতনা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে। 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লেখক মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে মানবসেবায় এগিয়ে আসতে বলেছেন।উদ্দীপকের ভেলরি টেইলরের কর্মকাণ্ডে তার প্রতিফলন ঘটেছে। প্রতিবন্ধী ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে তিনি এদেশে হাসপাতাল, পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করেছেন। মানবকল্যাণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।